ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ অভিযোগ করেছেন, জামায়াতে ইসলামী করার কারণে তাঁর বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয় এবং তাঁর মাকে মারধর করে হাত ভেঙে দেওয়া হয়।
সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এসব কথা বলেন তিনি।
ভিডিওতে রাহাদ জানান, তাঁর মায়ের ডান হাত ভেঙে যাওয়ার খবর পাওয়ার পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তাঁর বাড়িঘর ভাঙচুর করা হলেও তা মেনে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু মায়ের ওপর নির্যাতনের ঘটনা মেনে নিতে পারছিলেন না তিনি।
রাহাদের দাবি, হাত ভাঙার পরও তাঁর মা হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে পারেননি। হাসপাতালে প্রশাসনের পাহারা থাকায় কাউকে সেখানে যেতে দেওয়া হয়নি। পরে তাঁর মা খুলনায় চিকিৎসা নেন এবং বাড়িতে ফিরে আসেন। ওই সময়ে নিরাপত্তার আশঙ্কায় তিনি মায়ের সঙ্গে দেখা করতে কিংবা তাঁর খোঁজখবর নিতে পারেননি বলেও জানান।
রাহাদ বলেন, একসময় তাঁর মনে হয়েছিল, মায়ের ওপর নির্যাতনের কারণে হয়তো রাজনৈতিক পথচলা বন্ধ হয়ে যাবে। পরে সাহস করে এক রাতে মায়ের কাছে গিয়ে নিজের কষ্টের কথা জানান এবং আশঙ্কা প্রকাশ করেন, মা হয়তো তাঁকে আর জামায়াতে ইসলামী করতে দেবেন না।
তবে তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মা তাঁকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন এবং জানান, ছেলের কোনো অপরাধ না থাকায় জামায়াতে ইসলামী করার কারণে নির্যাতনের শিকার হওয়ার বিষয়টি জানার পর তাঁর কষ্ট দূর হয়ে গেছে।
শেখ মনজুরুল হক রাহাদ আরও বলেন, একসময় তিনি আশঙ্কা করেছিলেন, তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে মা হয়তো তাঁকে আর সমর্থন করবেন না। তবে কয়েক বছরের ব্যবধানে তাঁর মা জামায়াতে ইসলামীর রুকনিয়তের শপথ গ্রহণ করেছেন বলে জানান তিনি।
প্রতিবেদনটি এমপি শেখ মনজুরুল হক রাহাদের ফেসবুক ভিডিওতে দেওয়া বক্তব্যের ভিত্তিতে তৈরি। তাঁর অভিযোগগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য এখানে যুক্ত করা হয়নি।
@ইয়াসমিন রিমা


