চট্টগ্রামের রাউজানে মাত্র ১৮ দিনের ব্যবধানে ফের ঘটল হত্যাকাণ্ড। আজ শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেল পাঁচটার দিকে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চারাবটতল বাজারসংলগ্ন কায়কোবাদ জামে মসজিদের সামনে গুলিতে নিহত হয়েছেন মুহাম্মদ আলমগীর আলম (৪৫) নামের এক যুবদল কর্মী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কায়কোবাদ মসজিদের কবরস্থানে লুকিয়ে থাকা অন্তত আটজন অস্ত্রধারী আলমগীরকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এ সময় তাঁর আত্মীয় মুহাম্মদ রিয়াদ (২৫) গুলিবিদ্ধ হন। তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত আলমগীর মোটরসাইকেলে পাশের গ্রাম রশিদার পাড়া থেকে দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁর স্ত্রী ও সন্তান পেছনে একটি অটোরিকশায় ছিলেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পূর্বশত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।
রাউজান থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “আলমগীর আগে অপরাধ জগতে জড়িত থাকলেও জেল থেকে ছাড়া পেয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করছিলেন। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির আহ্বায়ক গোলাম আকবর খোন্দকার এক বিবৃতিতে নিহত আলমগীরকে যুবদল কর্মী দাবি করে তাঁর হত্যার নিন্দা জানিয়েছেন। তবে রাউজান পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ মনজুরুল হক বলেন, আলমগীর দলের কেউ নন।
উল্লেখ্য, সরকার পতনের পর ৫ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত রাউজানে রাজনৈতিক সহিংসতায় ১৭টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, যার মধ্যে ১২টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানা গেছে।
@ইয়াসমিন রিমা, ভেতরের খবর


