ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: ফরিদপুরের সালথায় উপজেলা ছাত্রদলের সহসভাপতির নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২টি বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। কয়েকটি ঘরে অগ্নিসংযোগেরও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের জুগিকান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। তাঁদের অভিযোগ, সালথা উপজেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি রাজিব হোসেনের নেতৃত্বে মুরাটিয়া, সজনকান্দা ও জুগিকান্দা গ্রামের লোকজন হামলায় অংশ নেন। এ সময় কয়েকটি বসতঘর ও একটি মুদি দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর এবং মালামাল লুট করা হয়।
জুগিকান্দা গ্রামের বাসিন্দা ধলেনা বেগম অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তাঁর ঘরের আসবাবসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে এবং তাঁর মেয়েকে খাটের নিচ থেকে টেনে বের করে আনে। তাঁর মুদি দোকান থেকেও টাকা-পয়সা ও মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।
আরেক ভুক্তভোগী রওসান মাতুব্বরের স্ত্রী সোখিনা অভিযোগ করেন, আগের একটি বিরোধের জেরে তাঁর স্বামী বাড়িতে থাকেন না। হামলার সময় বাড়িঘর ভাঙচুরের পাশাপাশি আগুন দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
ভুক্তভোগীদের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী, বশির মাতুব্বরের দুটি এবং বাবলু মাতুব্বর, আবুল খায়ের, ইদ্রিস মাতুব্বর, মিজান মাতুব্বর, আজিজুল মাতুব্বর, রওসান মাতুব্বর ও তুরাপ মাতুব্বরের একটি করে বাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া মামুন মাতুব্বরের একটি ঘর ও একটি খড়ের গাদাও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রদল নেতা রাজিব হোসেন বলেন, তাঁর একজন লোককে জাহিদ নামে একজন মারধর করার পর জাহিদের খবর পেয়ে গ্রামের কিছু লোক এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তিনি ওই দলের নেতৃত্বে থাকার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তাই ঘটনায় তাঁর নাম আসাটাই স্বাভাবিক।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান জানান, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা এবং বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে জানান তিনি। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
@ইয়াসমিন রিমা