ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও নাতিকে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে আসামি সিদ্ধার্থ দাস জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের পর নিচতলায় নামার সময় ছোট্ট আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়ম তাঁকে চিনে ফেলায় তাকেও হত্যা করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, হত্যার পর বাসায় সিসি ক্যামেরা থাকার সন্দেহে সিদ্ধার্থ পুরোনো প্লাস দিয়ে বৈদ্যুতিক মিটারের তার কেটে দেন। এতে শর্টসার্কিট হয়ে মেইন লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ওই সময় মুগ্ধ দাস ওপরতলায় ছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন সিদ্ধার্থ।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, হত্যাকাণ্ডের পর আসামিরাই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। স্থানীয়দের সহযোগিতা ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসকে আটক করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ঘটনাটি নিয়ে বাইরে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। আসামিরা পুলিশের কাছে কিছু তথ্য গোপন করলেও আদালতে পুরো ঘটনার বিবরণ দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশ সঠিক পথেই তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছে এবং দ্রুত মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
@ইয়াসমিন রিমা