ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রায়ত্ত ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডে (ইডিসিএল) প্রায় ৫০ কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্য, স্বজনপ্রীতি ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। ‘জুলাই যোদ্ধা’ কোটার নাম ব্যবহার করে সম্প্রতি প্রায় ৯০ জনকে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশরাফুজ্জামান, ডেপুটি ম্যানেজার শামীম আহমেদ এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা বরকত উল রইসের বিরুদ্ধে নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে মাত্র ১০ থেকে ১৫ জন প্রকৃত জুলাই যোদ্ধা বলে দাবি করা হলেও এ তথ্যের স্বাধীন যাচাইয়ের বিষয়টি স্পষ্ট নয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, শামীম আহমেদের নিকটাত্মীয় ছাব্বির আহমেদকে অনিয়মের মাধ্যমে সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ২০১৩ সালে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে শামীম আহমেদের চাকরিচ্যুতির পর পুনরায় ডেপুটি ম্যানেজার পদে নিয়োগ পাওয়ার বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়, চাকরিচ্যুতির হুমকি এবং বদলি বাণিজ্যের অভিযোগও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এসব বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে একাধিকবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, নিয়োগপ্রক্রিয়ার নথিপত্র যাচাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং স্বাধীন তদন্তের ফলাফল ছাড়া অভিযোগগুলোকে প্রমাণিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।
@ইয়াসমিন রিমা


