ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্বে বড় ধরনের রদবদল এসেছে। আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতারা আজ বিকেলে শাহবাগে সংবাদ সম্মেলন ডেকে এক জরুরি বৈঠকে ঘোষণা দিয়েছে, কেন্দ্রীয় কমিটি ছাড়া দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও জেলা পর্যায়ের কমিটি বাতিল করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ের অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা, বিতর্কিত কর্মকাণ্ড এবং কিছু অঞ্চলে নেতৃত্বের অপব্যবহারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংগঠনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, “আন্দোলনের ভাবমূর্তি ও নীতিগত অবস্থান রক্ষার্থে এ সিদ্ধান্ত জরুরি হয়ে উঠেছিল।”
বৈবিছার সাধারণ সম্পাদক হাসান ইনাম বলেন, নতুন করে ঢেলে সাজানো হবে আন্দোলনের কাঠামো। যারা মাঠপর্যায়ে নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন, তাদের যাচাই-বাছাই শেষে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হবে। তবে কেন্দ্রীয় কমিটি বর্তমানে বহাল থাকবে এবং তারাই আন্দোলনের পরবর্তী দিকনির্দেশনা দেবে।
এই সিদ্ধান্তকে কেউ কেউ দেখছেন ইতিবাচকভাবে, আবার কেউ বলছেন এতে মাঠপর্যায়ের সংগঠকদের মধ্যে হতাশা তৈরি হতে পারে। তবে আন্দোলন সংশ্লিষ্টদের মতে, “শুদ্ধি অভিযান ছাড়া দীর্ঘ পথচলা সম্ভব নয়।”
আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মুখপাত্র জানিয়েছেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে একটি নয়া সাংগঠনিক রূপরেখা প্রকাশ করা হবে, যেখানে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম ও কাঠামো স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হবে।
সামগ্রিকভাবে, এই সিদ্ধান্ত বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কৌশল ও সাংগঠনিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।