ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পর ভাইস-প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদপ্রার্থীরা ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
ভিপি পদে বিজয়ী হয়েছেন ইসলামী ছাত্রশিবির-পৃষ্ঠপোষক ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী শাদিক কায়েম। জয়লাভের পর তিনি বলেন,
“শিক্ষার্থীদের আকাঙ্ক্ষাই আমাদের আকাঙ্ক্ষা। আমরা ক্যাম্পাসকে একটি স্বপ্নের ক্যাম্পাসে রূপান্তরিত করব। এখান থেকেই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।”
তিনি আরও জানান, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদেরও সহযোগী হিসেবে গ্রহণ করে তাঁদের দিকনির্দেশনা নেবেন।
অন্যদিকে বিএনপি-সমর্থিত ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান ফলাফলকে ‘পরিকল্পিত প্রহসন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর অভিযোগ, “এই নির্বাচনের ফলাফল কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি একটি পরিকল্পিত কারচুপি।”
স্বতন্ত্র প্রার্থী উমা ফাতেমাও নির্বাচনের ফলাফল মানতে অস্বীকৃতি জানিয়ে কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন,
“বয়কট! বয়কট! আমি ডাকসুকে প্রত্যাখ্যান করছি। এটি একটি নির্লজ্জভাবে কারচুপির নির্বাচন। আগস্ট ৫–এর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গোটা জাতিকে লজ্জায় ফেলেছে।”
এ ছাড়া আরেক প্রার্থী শামীম হোসেনসহ কয়েকজনও নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।
সবমিলিয়ে ডাকসু নির্বাচনের ভিপি পদে বিজয়ী প্রার্থী যেখানে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বপ্নময় ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেখানে পরাজিত প্রার্থীরা কারচুপি ও প্রহসনের অভিযোগ তুলে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন। এর ফলে নির্বাচন-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় স্পষ্ট হয়েছে তীব্র বৈপরীত্য।
@ইয়াসমিন রিমা,ভেতরের খবর