ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞানচর্চা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) অডিটোরিয়ামে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক এ এফ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস মূলত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও উচ্চশিক্ষার উন্নয়নের নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রামের ইতিহাস। শিক্ষার মান ও গবেষণা নিয়ে নানা সমালোচনা থাকলেও এর বড় অংশের দায় রাষ্ট্রব্যবস্থার বলে মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে উল্লেখযোগ্য গবেষণা হলেও সেগুলোর যথাযথ প্রকাশ, প্রচার ও ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন র্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে। এছাড়া বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৫ জন গবেষকের নাম স্থান পেয়েছে। এ সময় তিনি গবেষণাকেন্দ্রিক ও ভবিষ্যতমুখী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে গড়ে তুলতে ‘ইউনিভার্সিটি একাডেমিক প্ল্যান ২০২৬–২০৪৬’-এর রূপরেখাও উন্মোচন করেন।
অনুষ্ঠানে সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক, অ্যালামনাই নেতৃবৃন্দ এবং ডাকসুর প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
@ইয়াসমিন রিমা


