ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: অর্থনৈতিক সংকট, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া ও পরে চীন সফর করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, সফরের মূল লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করা হলেও এর সঙ্গে আঞ্চলিক ভূরাজনীতি ও কৌশলগত বিষয়ও গভীরভাবে জড়িত।
মালয়েশিয়ার সঙ্গে শ্রমবাজার ও রেমিট্যান্স ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ হলেও, চীনের ক্ষেত্রে সহজ শর্তে ঋণ, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার পাশাপাশি রাজনৈতিক সম্পর্কও নতুন মাত্রা পেয়েছে। সফরে দুই দেশের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে, যার মধ্যে ভাষা শিক্ষা, সংবাদমাধ্যম এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতাও রয়েছে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, চীন এখন শুধু অর্থনৈতিক নয়, রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্কও জোরদার করতে আগ্রহী। তবে বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ হবে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার পাশাপাশি ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাপানসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর অর্থনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা দিলেও এটিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। দীর্ঘমেয়াদি কৌশল ও ধারাবাহিক সিদ্ধান্তই ভবিষ্যতে দেশের কূটনৈতিক অবস্থান নির্ধারণ করবে।
@ইয়াসমিন রিমা