এফ এম মিরাজুল সৈকত, কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেছেন,অতীতের প্রায় ১৭ বছরে এ অঞ্চলের মানুষ তাদের ভোটাধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারেনি। জাতীয় নির্বাচনের দিন সকাল ১১টার পর আর ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার প্রয়োজন হতো না। কারণ এর আগেই ব্যালট পেপারে সিল মেরে বাক্স ভর্তি করে ফলাফল ঘোষণা করা হতো। কিন্তু সর্বশেষ নির্বাচনে সেই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছে।
তিনি বলেন, “আমি ৬১ হাজার ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছি। আমার একজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ৩৪ হাজার ভোট পেয়েছেন এবং আরেকজন প্রায় ২৫ হাজার ভোট পেয়েছেন। মানুষ ভোটকেন্দ্রে এসেছে এবং নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছে, এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য ” । রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে কোটালীপাড়া উপজেলার পল্লী উন্নয়ন একাডেমি অডিটোরিয়ামে উপজেলা বিএনপির অবস্থানকে আরও শক্তিশালী ও সাংগঠনিকভাবে গতিশীল করার লক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রসঙ্গ তুলে এম পি জিলানী বলেন, “বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে জাতির কাছে যে অঙ্গীকার করেছিলেন, ভোটের পরপরই তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। কৃষকদের সুদসহ ১০ হাজার টাকার কৃষিঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ তারই অংশ।”
তিনি আরও বলেন, “বিএনপি মানুষের কাছে যে কমিটমেন্ট করে, তা বাস্তবায়নে বিশ্বাস করে। এই এলাকার মানুষের কাছেও আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যতদিন দায়িত্বে থাকব, মানুষের কল্যাণে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাব।”
মতবিনিময় সভার উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “আমাদের সংগঠনকে ঢেলে সাজানোই আজকের সভার মূল উদ্দেশ্য। যেখানে যেখানে দুর্বলতা রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে দলকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ের নেতাদের মতামতের ভিত্তিতেই আগামী দিনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।”
তিনি বলেন আমি বিএনপির কোনো নেতাকর্মীকে বলিনি যে, আপনারা আমাকে একটি জাল ভোট দেবেন বা ভোট কেটে সিল মেরে আমাকে এমপি বানাবেন। আমি শুধু বলেছিলাম মানুষকে ভোটকেন্দ্রে আনার জন্য কাজ করবেন। মানুষ ভোটকেন্দ্রে আসবে, তার পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দেবে।”
কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
# এফ এম মিরাজুল সৈকত , 26.07.2026
তিনি বলেন, “আমি ৬১ হাজার ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছি। আমার একজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ৩৪ হাজার ভোট পেয়েছেন এবং আরেকজন প্রায় ২৫ হাজার ভোট পেয়েছেন। মানুষ ভোটকেন্দ্রে এসেছে এবং নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছে, এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য ” । রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে কোটালীপাড়া উপজেলার পল্লী উন্নয়ন একাডেমি অডিটোরিয়ামে উপজেলা বিএনপির অবস্থানকে আরও শক্তিশালী ও সাংগঠনিকভাবে গতিশীল করার লক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রসঙ্গ তুলে এম পি জিলানী বলেন, “বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে জাতির কাছে যে অঙ্গীকার করেছিলেন, ভোটের পরপরই তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। কৃষকদের সুদসহ ১০ হাজার টাকার কৃষিঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ তারই অংশ।”
তিনি আরও বলেন, “বিএনপি মানুষের কাছে যে কমিটমেন্ট করে, তা বাস্তবায়নে বিশ্বাস করে। এই এলাকার মানুষের কাছেও আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যতদিন দায়িত্বে থাকব, মানুষের কল্যাণে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাব।”
মতবিনিময় সভার উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “আমাদের সংগঠনকে ঢেলে সাজানোই আজকের সভার মূল উদ্দেশ্য। যেখানে যেখানে দুর্বলতা রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে দলকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ের নেতাদের মতামতের ভিত্তিতেই আগামী দিনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।”
তিনি বলেন আমি বিএনপির কোনো নেতাকর্মীকে বলিনি যে, আপনারা আমাকে একটি জাল ভোট দেবেন বা ভোট কেটে সিল মেরে আমাকে এমপি বানাবেন। আমি শুধু বলেছিলাম মানুষকে ভোটকেন্দ্রে আনার জন্য কাজ করবেন। মানুষ ভোটকেন্দ্রে আসবে, তার পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দেবে।”
কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
# এফ এম মিরাজুল সৈকত , 26.07.2026
০১৮১১৯৫৩২৬১