ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: বাসের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের প্রায় ৫০ মিটার রেলিং মেরামতে ৬ থেকে ৭ দিন সময় লাগতে পারে। এ কাজে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে বলে জানিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় এখনো মামলা না হলেও আইনি প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পদ্মা সেতু উত্তর থানার ওসি মো. আক্তার হোসেন।
এর আগে সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে মাগুরা থেকে ঢাকাগামী নিউ গ্রিন লাইন এক্সপ্রেসের একটি বাস মাওয়া প্রান্তের ঢালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর দুই পাশের রেলিংয়ে ধাক্কা দেয়। এতে পূর্ব পাশের রেলিংয়ের প্রায় ৫০ মিটার অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে সেতুর মূল কাঠামোর বড় কোনো ক্ষতি হয়নি।
পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়াদ জানান, ক্ষতিগ্রস্ত রেলিং মেরামতে ৬ থেকে ৭ দিন সময় এবং প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা প্রয়োজন হতে পারে। সেতুর সড়কেও কিছু দাগ পড়েছে, তবে তা গুরুতর নয়।
দুর্ঘটনায় বাসের আট যাত্রী আহত হন। ফায়ার সার্ভিস তাদের উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। চিকিৎসা শেষে সবাই বাড়ি ফিরেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সিসিটিভি ফুটেজের বরাতে জানা যায়, একটি বাসকে অতিক্রম করার সময় নিউ গ্রিন লাইন এক্সপ্রেসের বাসটি অতিরিক্ত গতিতে চলছিল। একপর্যায়ে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি সেতুর দুই পাশের রেলিংয়ে ধাক্কা দিয়ে উল্টে যায়। পরে উদ্ধারকারী দল ও সেতু কর্তৃপক্ষের রেকারের সহায়তায় বাসটি সরিয়ে নেওয়া হয়।
সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তার জন্য প্রায় ৪০০ মিটার পরপর ১৬টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ক্যামেরা রয়েছে। পদ্মা সেতুতে যানবাহনের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার নির্ধারিত থাকলেও অনেক চালক তা মানছেন না। দুর্ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট যানবাহনের গতি ১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত ছিল বলে দাবি করেন প্রকৌশলী আবু সায়াদ। তিনি চালকদের নির্ধারিত গতিসীমা ও সড়ক আইন মেনে চলার আহ্বান জানান।
@ইয়াসমিন রিমা