ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক:(রাজশাহী): নাটোরের বড়াইগ্রামে চলতি মৌসুমে সরকারি গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮২০ টন। গত ৩ মে থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সংগ্রহ অভিযান চললেও এক ছটাক গমও কিনতে পারেনি খাদ্য বিভাগ। এ নিয়ে টানা চার বছর সরকারি গম সংগ্রহ শূন্য রয়ে গেল।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলায় ৪ হাজার ৬৫৬ হেক্টর জমিতে প্রায় ১২ হাজার কৃষক গম চাষ করেন। উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২১ হাজার ৭৯০ টন। তবে সরকারি দরের চেয়ে খোলাবাজারে বেশি দাম পাওয়ায় কৃষকেরা গুদামে গম বিক্রি করতে আগ্রহ দেখাননি।
সরকারি নির্ধারিত দরে প্রতি কেজি গমের মূল্য ৩৬ টাকা, অর্থাৎ প্রতি মণ ১ হাজার ৪৪০ টাকা। বিপরীতে খোলাবাজারে প্রতি মণ গম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায়। অর্থাৎ সরকারি দরের চেয়ে বাজারে মণপ্রতি ২৬০ থেকে ৩৬০ টাকা বেশি পাওয়া যাচ্ছে। এর সঙ্গে গুদামে গম নিতে আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ১৪ শতাংশ রাখার শর্ত এবং পরিবহনসহ অন্যান্য খরচ থাকায় কৃষকেরা আরও বেশি করে খোলাবাজারমুখী হয়েছেন।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কাজী ডালিম বলেন, সরকারি দরের চেয়ে বাজারে দাম বেশি হওয়ায় কৃষকেরা গুদামে গম বিক্রি করেননি।
ইউএনও লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, টানা চার বছর গম সংগ্রহে ব্যর্থতার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং ভবিষ্যতে বাস্তবসম্মত দর নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।