ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর গেন্ডারিয়ার দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর রেলগেট এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মসূচিতে লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ধরার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তাঁর দাবি, মাদক কারবারিদের হামলার আশঙ্কায় আত্মরক্ষার জন্য তিনি ও তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন।
রোববার (১৮ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে ইশরাক হোসেন জানান, কর্মসূচিতে যাওয়ার আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সূত্র থেকে নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। ঘটনাস্থলে ৩০ থেকে ৩৫ জন ব্যক্তি তাঁদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে এলে হামলার আশঙ্কায় তাঁরা অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অস্ত্র যথাস্থানে রাখা হয় বলে দাবি করেন তিনি।
বিবৃতিতে বলা হয়, স্থানীয়দের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গেন্ডারিয়ার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচি নেওয়া হয়। পুলিশের উপস্থিতিতে অভিযান চালিয়ে চার থেকে পাঁচটি অস্থায়ী মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। এ সময় হেরোইন বা হেরোইনজাতীয় মাদক, বিদেশি মদ, দেশীয় ধারালো অস্ত্র, নগদ অর্থ ও ছিনতাই করা মোবাইল ফোন জব্দ এবং ছয়জনকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের দাবি করা হয়।
গণমাধ্যমে অস্ত্র হাতে তাঁর কয়েক সেকেন্ডের দৃশ্য প্রচারের সমালোচনা করে ইশরাক হোসেন বলেন, এতে পুরো অভিযানের প্রেক্ষাপট আড়ালে পড়ে গেছে। তিনি সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই ও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট তুলে ধরার আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত করতে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে অস্ত্র প্রদর্শন ও অভিযানের বিষয়ে তাঁর বক্তব্যগুলো বিবৃতিতে দেওয়া দাবি; এসব দাবির স্বাধীন যাচাইয়ের তথ্য পাওয়া যায়নি।
@ইয়াসমিন রিমা


