ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: (রাজশাহী):
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ১৬ নং সোনাডাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তর ফুলপুর গ্রামের এক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ভুক্তভোগীদের দাবি, আবুল হোসেনের দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে আসছেন।
আবুল হোসেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ছিলেন। তিনি বাগমারা আসনের সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক কালাম সাহেবের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এই ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ও সাধারণ জনগণের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে ।
প্রতিবন্ধী আব্দুল কালাম, আব্দুস সালাম, জাকির হোসেন আব্দুল হামিদ, মোঃ নওশাদ, মোহাম্মদ খোরশেদ এবং স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, আওয়ামী লীগের সাবেক মেম্বার আবুল হোসেন একটি “মামলাবাজ সিন্ডিকেট” পরিচালনা করেন, যারা সাধারণ জনগণকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বিভিন্নভাবে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে থাকে। একাধিক দরিদ্র কৃষক ও দিনমজুর অভিযোগ করেছেন, তিনি রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধে মিথ্যা অভিযোগ এনে তাদের হয়রানি করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রবীণ স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আওয়ামী লীগের সাবেক মেম্বার আবুল হোসেন শুধু দলের নাম ভাঙিয়ে নয়, ক্ষমতাসীন এমপি কালামের ছত্রছায়ায় থেকে মানুষকে মামলা দিয়ে ভয় দেখিয়ে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন, আমরা বিচার চাই।”
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, তার বিরুদ্ধে একাধিক সামাজিক অন্যায়, প্রতারণা এবং গরিব মানুষের সম্পত্তি দখলের চেষ্টার ইতিহাসও রয়েছে।
এ বিষয়ে আবুল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এসব আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। আমি আওয়ামী লীগের একজন বিশ্বস্ত কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি।”
তবে ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রশাসনের উচিত এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া। এলাকার সচেতন নাগরিকদের বক্তব্য, “রাজনীতির নামে যদি কেউ জনসাধারণকে হয়রানি করে, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
উজ্জল হোসেন।
ব্যুরো প্রধান,রাজশাহী।