ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: (রাজশাহী)
নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী, জেলা বিএনপির এক নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক ও জননন্দিত নেতা আব্দুল আজিজ সম্প্রতি সিরাজগঞ্জে এক জানাযার
নামাজে অংশগ্রহণের সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি হারিয়েছেন। ঘটনাটি সাধারণ চুরির মতো মনে হলেও, বিএনপি নেতার ঘনিষ্ঠজন ও তৃণমূল নেতাকর্মীরা একে নিছক দুর্ঘটনা মনে করছেন না—তাদের দাবি, এটি পরিকল্পিত চুরি হতে পারে।
আব্দুল আজিজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বিবৃতিতে জানান,কিছুক্ষণ আগে সিরাজগঞ্জে একটি জানাযায় আমার ব্যবহৃত ফোনটি হারিয়ে গেছে। আমার নম্বর বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যদি কেউ কোনো আর্থিক লেনদেনের কথা বলে, দয়া করে সরাসরি আমার সাথে কথা না বলে কেউ কোনো লেনদেন করবেন না। নম্বরটি বর্তমানে সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। দ্রুত চালু করার চেষ্টা করছি।
নেতাকর্মীদের অনেকে মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে দলের হয়ে রাজপথে সক্রিয় থাকা আব্দুল আজিজকে রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করতেই তার ওপর নানা চাপ ও ষড়যন্ত্র চলছে। মোবাইল ফোনটি চুরি নয় বরং পরিকল্পিত চুরি বলে ধারণা করছেন তারা।
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে নাটোর-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন আব্দুল আজিজ। দলীয় আনুগত্য, রাজনৈতিক নিষ্ঠা এবং মাঠ পর্যায়ে নেতৃত্বের জন্য তিনি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের কাছে আস্থাভাজন একজন নেতা হিসেবে পরিচিত। নেতাকর্মীদের দাবি, তিনি শুধু একজন প্রার্থী নন, বরং বিএনপির আদর্শে অনুপ্রাণিত একজন সংগ্রামী সৈনিক।
২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় তার ওপর হামলার অভিযোগ রয়েছে, যার জন্য তৎকালীন সরকার সমর্থিত সন্ত্রাসীদের দায়ী করে আসছে বিএনপি। বর্তমান মোবাইল চুরির ঘটনাটিও সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ কিনা, তা নিয়েও দলের ভেতরে প্রশ্ন উঠেছে।
একজন সক্রিয় রাজনৈতিক নেতার মোবাইল ফোন হারানো যেমন ব্যক্তিগত দিক থেকে দুঃখজনক, তেমনি এ ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত থাকলে তা নিয়ে তদন্ত হওয়া জরুরি। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আব্দুল আজিজ যে আরও বেশি আলোচনায় আসবেন, তা বলাই বাহুল্য।
উজ্জল হোসেন।
ব্যুরো প্রধান,রাজশাহী।