ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: কাতারের রাজধানী দোহায় মঙ্গলবার হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। কাতার এ হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত’ ও ‘আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। ইসরায়েল হামলার দায় স্বীকার করেছে, তবে এতে কেউ নিহত হয়নি বলে জানিয়েছে হামাস।
রয়টার্সকে হামাসের দুটি সূত্র জানিয়েছে, হামলার সময় গোষ্ঠীটির নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করছিলেন। এসময় নির্বাসিত গাজাপ্রধান খালিদ আল-হাইয়্যা উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দোহায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং একটি পেট্রলস্টেশনসহ আবাসিক এলাকায় আগুন লাগে।
মিডলইস্ট আইয়ের খবরে বলা হয়, অন্তত ১২টি বিমান হামলা চালানো হয়। এটি উপসাগরীয় সহযোগিতা কাউন্সিলভুক্ত (জিসিসি) কোনো দেশে ইসরায়েলের প্রথম হামলা। কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমানঘাঁটি থাকায় হামলার আগে ওয়াশিংটনকে জানানো হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের কেউ কেউ জানানো হয়েছিল বলে দাবি করলেও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলেছেন, হামলা স্বাধীনভাবে চালানো হয়েছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেসসহ সৌদি আরব, কুয়েত, মিসর, তুরস্ক ও ইরান কাতারে হামলার নিন্দা জানিয়েছে। গাজায় ইসরায়েলের প্রায় দুই বছরের যুদ্ধে ইতিমধ্যেই ৬৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। কাতার যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই মিসরের সঙ্গে মিলে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করে আসছে।
@ইয়াসমিন রিমা,ভেতরের খবর