নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই পরিবারের পরিচয় দেন না রিপন মিয়া,

ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: জনপ্রিয় অনলাইন ব্যক্তিত্ব রিপন মিয়াকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে তার বিরুদ্ধে বাবা–মায়ের প্রতি অবহেলা, ভরণপোষণ না দেওয়া ও পারিবারিক দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর রিপন মিয়া নাকি নিজের বাবা–মাকে “পরিচয় দিতে লজ্জা পান”এবং দীর্ঘদিন ধরে তাদের কোনো আর্থিক সহায়তাও দিচ্ছেন না। নিজে আধুনিক বাড়িতে বসবাস করলেও, তার মা–বাবা বসবাস করছেন জরাজীর্ণ ঘরে, এমন তথ্যও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছে।

তাছাড়া, তার স্ত্রী ও সন্তান থাকার পরও তিনি তা অস্বীকার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি কিছু ব্যবহারকারী দাবি করেছেন, রিপন সাংবাদিকদের কাছে নিজের স্ত্রীকে বড় ভাইয়ের পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

অভিযোগের জবাবে রিপন মিয়া তার ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানান, কয়েকজন সাংবাদিক অনুমতি ছাড়া তার বাড়িতে ঢুকে ভিডিও ধারণ করেন এবং মিথ্যা তথ্য প্রচার করেন। তিনি বলেন, “আমার পরিবারের বিষয়ে অর্ধসত্য ছড়িয়ে আমাকে হেয় করার চেষ্টা চলছে।”

তবে নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন, জনপ্রিয়তা টিকিয়ে রাখতে ও সহানুভূতি আদায়ের জন্য রিপন ইমোশনকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে, আরেকদল বলছেন-যাচাই ছাড়া ব্যক্তিগত বিষয়ে সংবাদ প্রচার করা সাংবাদিকতার নীতির পরিপন্থী।

বর্তমানে এ নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে ফেসবুক ও ইউটিউবজুড়ে। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

  • Related Posts

    সংবাদটি নিরপেক্ষ ও সংবাদপত্রের ভাষায় মাঝারি আকারে সাজিয়ে দিলাম

    ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক:  ছোটপর্দার অভিনেতা সাইদুর রহমান পাভেলকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ৪৫ সেকেন্ডের ভিডিও নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। কাজল আরেফিন অমির জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এ…

    নেপালের বন্যায় সহায়তায় বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা বালেন্দ্র শাহর

    ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: নেপালে সাম্প্রতিক বিধ্বংসী বন্যায় সহমর্মিতা প্রকাশ, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ১০ লাখ মার্কিন ডলার অর্থ সহায়তা এবং বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি…

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *