ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: ২০০৮ সালে রিমান্ডে নামে নির্যাতন চালিয়ে তারেক রহমানের মেরুদন্ড ভেঙ্গে অকেজো করে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছিলো তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিরোধী সরকার দলের নিপীড়নে বাধ্য হয়ে দেশত্যাগে করেন রহমান। তারপর ১৫ বছর নানানভাবে তারেক রহমানের পরিবার এবং বিএনপি রাজনীতির মাঠ থেকে ভেনিস করে দেওয়ার সব রকম চেষ্টা চালিয়েছিলো শেখ হাসিনা।
ইতিহাসের পরিসংখ্যানে কোন ফ্যাসিবাদী শক্তি দাপট নিয়ে অমরত্ব লাভ করতে পারেনি। ইতিহাসের ধারাক্রমে প্রধানমন্ত্রী হাসিনা থেকে খুনি হাসিনা হয়ে ক্ষমতার গদি থেকে পালিয়ে দেশ ছেড়ে দিল্লী লুকিয়ে পড়ে হাসিনা। হাসিনার পতন ঘটিয়েছিলো বাংলাদেশের আপামর জনতা। সবার ঐকবদ্ধ আন্দোলনের সফলতায়— গত সতেরো বছরে নির্যাতন নিপীড়নে বাধ্য হয়ে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া সমস্ত নেতারা ধারাবাহিকভাব বাংলাদেশে ফিরতে শুরু করেন।
সকল কল্পনা-জল্পনা শেষ করে দীর্ঘ সতেরো বছর দেশে প্রত্যাবর্তন করেন আগামী দিনে বিএনপি প্রধান তারেক রহমান। পরিবার নিয়ে দেশে নেমেই তিনি ৩০০ ফিটে জনগণের সম্মুখে দাঁড়িয়ে ভাষণ দেন৷ সেখানে দেশপ্রেম, রাষ্ট্র-চিন্তা এবং আগামীর বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে বক্তব্য রাখেন।
ধারণা করা যায় বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবে তারেক রহমান, সেই হিসেবে আগামীর বাংলাদেশ একজন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে। দীর্ঘ ৩৫ বছর নির্বাচিত মহিলা প্রধানমন্ত্রীতে বাংলাদেশ আস্থা হারিয়েছে, এবার তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিতে নির্বাচিত সরকার কি সফল হবে, এই নিয়ে উদ্বেগ বাংলাদেশের জনতা।


