ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: নওগাঁর সাপাহার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) শ্যামলী রানী বর্মণের বিরুদ্ধে এক বাসচালককে কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, স্বামীর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে গত রোববার রাতে ওই বাসচালককে নির্যাতন করা হয়। পরে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। হাসপাতালের ব্যবস্থাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে ‘ফিজিক্যাল অ্যাসল্ট। পুলিশ কেস।’
ভুক্তভোগী বাসচালকের নাম বাদল। তিনি রাজশাহী নগরের পঞ্চবটি এলাকার বাসিন্দা। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, আঘাতের কারণে তাঁর শরীরে কালশিরা দাগ পাওয়া গেছে। চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম)–এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দিতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাসচালক বাদল অভিযোগ করেন, সাপাহার জিরো পয়েন্টে বাস থেকে নামার পর এএসপির বডিগার্ড তাঁকে সার্কেল অফিসে নিয়ে যান। সেখানে বডিগার্ড, এএসপির স্বামী জয়ন্ত বর্মণ এবং এএসপি নিজে তাঁকে মারধর করেন বলে দাবি করেন তিনি। তবে এএসপি শ্যামলী রানী বর্মণ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল এবং কাউকে মারধর করা হয়নি।
এদিকে বাসের সুপারভাইজার ও বাস মালিক সমিতির পক্ষ থেকেও ঘটনার বিষয়ে ভিডিও বক্তব্য এসেছে। বাস মালিক সমিতির এক নেতা দাবি করেছেন, পরে বিষয়টির একটি মীমাংসা হয়েছে। তবে বাসচালক বাদল জানিয়েছেন, তিনি সত্য ঘটনা তদন্ত কমিটির সামনে তুলে ধরবেন।
@ইয়াসমিন রিমা