ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়ায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক। তিনি দাবি করেছেন, তিনি কোনো প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাননি; বরং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গড়ে তুলছিলেন, যা আচরণবিধির আওতায় পড়ে না।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে অনুসারীদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনের সামনে সাধারণ মানুষের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করেন মামুনুল হক। পুলিশি ব্যারিকেডের সামনে অবস্থান নিয়ে তিনি মানুষের সঙ্গে হাত মিলিয়ে দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করেন এবং নিজ হাতে লিফলেট বিতরণ করতে দেখা যায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতীক বরাদ্দের আগেই নির্বাচন কমিশনের সামনে এ ধরনের প্রচারণা চালানো হলেও মামুনুল হক তা আচরণবিধি লঙ্ঘন নয় বলে দাবি করেন। তবে ঢাকা-১৩ আসনের রিটার্নিং অফিসার ও ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেন, প্রতীক বরাদ্দের আগে কোনো প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন না। সীমিত পরিসরে গণসংযোগ করা গেলেও লিফলেট বিতরণ স্পষ্টভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।
তিনি আরও জানান, মাঠপর্যায়ে আচরণবিধি প্রতিপালনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন করছেন এবং প্রয়োজনে ইনকোয়ারি কমিটি ব্যবস্থা নিতে পারে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সামনে মামুনুল হকের প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণের ঘটনা এখনও কমিশনের নজরে আসেনি বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল শুনানি চলবে। ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক পাওয়ার পরই প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।
@ইয়াসমিন রিমা