ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে নগরীর ডাঁশমারি এলাকায় নিহত মোস্তফার বাড়িতে গিয়ে শোকের মাতম দেখা গেছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ডাঁশমারির খোঁজাপুর কবরস্থানের প্রাচীরের পাশে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন মোস্তফা (৫০)।
নিহতের স্ত্রী নাদেরা বেগম বিলাপ করে বলেন, তাঁর স্বামী কোনো রাজনৈতিক দল বা ঝামেলায় জড়িত ছিলেন না। নিয়মিত নামাজ পড়তেন, মোড়ে চা খেতেও যেতেন না। নামাজে যাওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। তিনি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
নিহতের কোনো শত্রু ছিল কি না এমন প্রশ্নে নাদেরা বেগম জানান, এক বছর আগে প্রতিবেশী উকিল নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে মারামারির ঘটনায় বিরোধ ছিল। ওই বিরোধ থেকেই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে পরিবারের দাবি। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, উকিল প্রকাশ্যে হত্যার হুমকিও দিয়েছিলেন।
ঘটনার পর উকিলের বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায়নি। প্রতিবেশীরা জানান, ঘটনার রাত থেকেই তারা বাড়িতে নেই। নিহতের ভাতিজি শাকিলা বলেন, এক বছর আগের মারামারির জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
রোববার সকালে নিহতের স্ত্রী নাদেরা বেগম মতিহার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় তিনজনকে আসামি করা হলেও তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।
এ বিষয়ে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, সন্দেহভাজন আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিকেলে মরদেহ খোঁজাপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
নিহত মোস্তফা পেশায় মিল শ্রমিক ছিলেন।
@ইয়াসমিন রিমা


