ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: কোটালীপাড়া প্রতিনিধি- এফ এম মিরাজুল সৈকত :
“ডাচবাংলা ব্যংক এর এজেন্ট শাখার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা জমা নেওয়া হয়। পরবর্তীতে সমিতির কথা বলায় সঞ্চয়ী টাকা ফেরত নিতে গ্রাহকদের ভীড়”
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় পল্লী সেবা শ্রমজীবী সমবায় সমিতি লিঃ এর সঞ্চয়ী গ্রাহকদের ভোগান্তি চরমে পৌছেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।এঘটনায় সঞ্চয়ী জমাদানকারি গ্রাহকরা প্রতিষ্ঠানটির শুয়াগ্রাম কার্যালয়ে নিয়মিত ভীড় করছেন গ্রাহকের কষ্টের সঞ্চয় এর টাকা পাওয়ার জন্য। এ ঘটনায় গ্রাহকদের ভিতর চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।বিষয়টির সত্যতা অনুসন্ধানে সরেজমিনে গেলে জানা যায় যে প্বার্শবর্তী আগৈলঝাড়া উপজেলার জয়রমপট্রি গ্রামের বাসিন্দা মোঃ সাইফুল ইসলাম কোটালীপাড়া উপজেলার শুয়াগ্রাম বাজারে ডাচবাংলা ব্যংকের এজেন্ট ব্যংকিংয়ের কার্যক্রম শুরু করে এর সাথে এলাকার মানুষকে অধিক মুনাফার কথা বলে আকৃষ্ট করে উক্ত প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক আকাউন্ট এ টাকা সঞ্চয় রাখার জন্য উৎসাহিত প্রদান করে। এরপর থেকে স্থানীয় জনগণ ডাচবাংলা ব্যংকের এজেন্ট ব্যংক মনে করে তিনটি শ্রেনিতে ২১২ জন গ্রাহক কমপক্ষে ১ কোটি টাকা জমা রাখেন। এর মধ্যে ডিপিএস সমিতির ভাষায় মাসিক সঞ্চয় ৯০ জন, জিএস দৈনিক সঞ্চয় ১০০ জন ও এক-কালিন সঞ্চয় ২২ জন গ্রাহকের টাকা জমা রাখেন।
এখানে ভুক্তভোগী মুকিম শেখ বলেন, ডাচবাংলা ব্যংকের এজেন্ট ব্যাংক জেনে ২ লক্ষ টাকা জমা রেখেছি। ডিপোজিটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে কিন্তু টাকা দিতেছে না এবং বার বার সময় চাইছে।
জয় বাড়ৈ বলেন, আমার ৫১ হাজার টাকা জমা করেছি এখন আমি টাকা নিয়ে বিদেশ যাবো ভবিষ্যৎ এর আশায়।
ফ্রান্সিস সরকার বলেন, আমি ৮ বছর মেয়াদি ডিপিএস করে ৫ বছর পর্যন্ত টাকা জমা রেখে আসছি কিন্তু বর্তমানে সমিতিতে আর্থিক সংকট দেখা দিয়েছে ফলে গ্রাহকরা প্রতিদিন টাকা তুলে নেওয়ার জন্য ভীড় করছে। এছাড়াও শুয়াগ্রামের শিল্পী মধু ৫৫ হাজার, ভীস্মদেব ঢালী ৩০ হাজার, মুহিদুল ইসলামের ২ লাক্ষ ৫০ হাজার, তপন বৈদ্য ২৫ হাজার, ফ্রান্সিস সরকার ৯৩ হাজার, সুস্মিতা বল্লভ ১৩ হাজার, অঙ্কিতা বিশ্বাস ১৪ হাজার ৪শত, জয় বাড়ৈ ৫১ হাজার টাকা সঞ্চয় করছে।
শুয়াগ্রাম পাড়কোনা গ্রামের শিল্পী বিশ্বাস ২ লক্ষ ও আকাশ বাড়ৈর ৭৫ হাজার টাকাসহ ২১২ জন গ্রাহকের প্রায় ১ কোটি টাকা জমা রযেছে।
অভিযোগ এর ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটির শুয়াগ্রাম কার্যালয়ে গিয়ে জানতে চাইলে পল্লী সেবা শ্রমজীবী সমবায় সমিতি লিঃ এর ম্যনেজার সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন ২০২১ সাল থেকে শুয়াগ্রামে পল্লী সেবা শ্রমজীবী সমবায় সমিতি লিঃ এর কার্যক্রম সঠিক ভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল।কিন্তু হঠাৎ করে টাকার একটু সমস্যা হওয়ায় গ্রাহকদের টাকা দেওয়ায় সাময়িক বিলম্বিত হচ্ছে। সাইফুল ইসলাম বলেন, মাঠে সমিতির লোন গ্রাহকদের যে লোন প্রদান করা হয়েছে সেগুলো ঠিক মতো কিস্তি পরিশোধ না করার কারণে এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে তবে আশা করা যায় কিছু সময় দিলে এই সংকট আর থাকবে না। সঞ্চয় জমাকৃত গ্রাহক সবার টাকা যথাযথ নিয়মে প্রদান করা হবে তবে একটু সময় লাগবে। তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, “মেসার্স সাব এন্টারপ্রাইজ” এর নামে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে এর মধ্যে ডাচবাংলা এজেন্ট ব্যাংক এর শাখা ও ছিলো। তবে এখন ডাচ বাংলার এজেন্ট ব্যাংক নেই। তাই প্রতিষ্ঠান সব গ্রাহকদের পাওনা সঞ্চয় সঠিকভাবে প্রদান করবেন বলে কিছুদিন সময় চাইছেন আর কোন গ্রাহক যেন কোনভাবে বিচলিত না হয় সেই আশা করছেন।
এখানে ভুক্তভোগী মুকিম শেখ বলেন, ডাচবাংলা ব্যংকের এজেন্ট ব্যাংক জেনে ২ লক্ষ টাকা জমা রেখেছি। ডিপোজিটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে কিন্তু টাকা দিতেছে না এবং বার বার সময় চাইছে।
জয় বাড়ৈ বলেন, আমার ৫১ হাজার টাকা জমা করেছি এখন আমি টাকা নিয়ে বিদেশ যাবো ভবিষ্যৎ এর আশায়।
ফ্রান্সিস সরকার বলেন, আমি ৮ বছর মেয়াদি ডিপিএস করে ৫ বছর পর্যন্ত টাকা জমা রেখে আসছি কিন্তু বর্তমানে সমিতিতে আর্থিক সংকট দেখা দিয়েছে ফলে গ্রাহকরা প্রতিদিন টাকা তুলে নেওয়ার জন্য ভীড় করছে। এছাড়াও শুয়াগ্রামের শিল্পী মধু ৫৫ হাজার, ভীস্মদেব ঢালী ৩০ হাজার, মুহিদুল ইসলামের ২ লাক্ষ ৫০ হাজার, তপন বৈদ্য ২৫ হাজার, ফ্রান্সিস সরকার ৯৩ হাজার, সুস্মিতা বল্লভ ১৩ হাজার, অঙ্কিতা বিশ্বাস ১৪ হাজার ৪শত, জয় বাড়ৈ ৫১ হাজার টাকা সঞ্চয় করছে।
শুয়াগ্রাম পাড়কোনা গ্রামের শিল্পী বিশ্বাস ২ লক্ষ ও আকাশ বাড়ৈর ৭৫ হাজার টাকাসহ ২১২ জন গ্রাহকের প্রায় ১ কোটি টাকা জমা রযেছে।
অভিযোগ এর ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটির শুয়াগ্রাম কার্যালয়ে গিয়ে জানতে চাইলে পল্লী সেবা শ্রমজীবী সমবায় সমিতি লিঃ এর ম্যনেজার সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন ২০২১ সাল থেকে শুয়াগ্রামে পল্লী সেবা শ্রমজীবী সমবায় সমিতি লিঃ এর কার্যক্রম সঠিক ভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল।কিন্তু হঠাৎ করে টাকার একটু সমস্যা হওয়ায় গ্রাহকদের টাকা দেওয়ায় সাময়িক বিলম্বিত হচ্ছে। সাইফুল ইসলাম বলেন, মাঠে সমিতির লোন গ্রাহকদের যে লোন প্রদান করা হয়েছে সেগুলো ঠিক মতো কিস্তি পরিশোধ না করার কারণে এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে তবে আশা করা যায় কিছু সময় দিলে এই সংকট আর থাকবে না। সঞ্চয় জমাকৃত গ্রাহক সবার টাকা যথাযথ নিয়মে প্রদান করা হবে তবে একটু সময় লাগবে। তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, “মেসার্স সাব এন্টারপ্রাইজ” এর নামে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে এর মধ্যে ডাচবাংলা এজেন্ট ব্যাংক এর শাখা ও ছিলো। তবে এখন ডাচ বাংলার এজেন্ট ব্যাংক নেই। তাই প্রতিষ্ঠান সব গ্রাহকদের পাওনা সঞ্চয় সঠিকভাবে প্রদান করবেন বলে কিছুদিন সময় চাইছেন আর কোন গ্রাহক যেন কোনভাবে বিচলিত না হয় সেই আশা করছেন।
এফ এম মিরাজুল সৈকত , ২২/০২/২০২৬ইং
01811953261