ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের এক বছরের বেশি সময় পার হয়েছে। এই সময়ে তার ঘোষিত অর্থনৈতিক নীতিমালার কিছু ক্ষেত্রে সাফল্য এলেও কিছু ক্ষেত্রে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। ফলে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান স্থবিরতা এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির মতো চ্যালেঞ্জও রয়ে গেছে।
মার্কিন অর্থনীতি প্রথম দিকে কিছুটা সংকুচিত হলেও পরবর্তীতে জিডিপি প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ভালো অবস্থানে পৌঁছায়। বিশ্লেষকদের মতে, কর ছাড় এবং সরকারি ব্যয় বৃদ্ধির ফলে ভোক্তা ব্যয় ও ব্যবসায়িক বিনিয়োগ বেড়েছে। প্রযুক্তি খাতে নতুন বিনিয়োগ অর্থনীতিকে গতি দিয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম প্রধান নীতি ছিল আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি। এর লক্ষ্য ছিল—
সরকারী রাজস্ব বাড়ানো, আমদানিনির্ভরতা কমানো দেশীয় উৎপাদন জোরদার করা। তবে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট জরুরি ভিত্তিতে আরোপ করা বৈশ্বিক শুল্ক বাতিল করে দেয়। এতে ট্রাম্পের অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, শুল্ক বাড়ানো সত্ত্বেও বাণিজ্য ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেনি।
দেশীয় উৎপাদন খাতে কিছু উন্নতি দেখা গেলেও কর্মসংস্থানের প্রবৃদ্ধি থমকে গেছে। অভিবাসন কঠোরতার কারণে শ্রমবাজারে চাপ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। উৎপাদন বাড়লেও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে নতুন চাকরি সৃষ্টির হার কম।
ট্রাম্প প্রশাসন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সফল হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও জীবনযাত্রার ব্যয় এখনো অনেক পরিবারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে। বিশেষ করে বাসস্থান ও জ্বালানি খাতে ব্যয় উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।


