ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তাঁর মন্তব্য মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াতে ইসলামীতে যুক্ত হলে তা “ডাবল অপরাধ” ঘিরে বিরোধী ও সরকারি দলের সদস্যদের মধ্যে হইচই শুরু হয়।
মঙ্গলবার সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধ, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনা ও জামায়াত প্রসঙ্গে নানা মন্তব্য করেন। এতে বিরোধী দলসহ বিভিন্ন সদস্য তীব্র প্রতিবাদ জানালে সংসদ কার্যত অচল হয়ে পড়ে। প্রায় ১০ মিনিট সংসদের কার্যক্রম বন্ধ থাকে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বারবার সদস্যদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান এবং সংসদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, সংসদের আচরণ সারা জাতির সামনে সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছে এবং এ ধরনের বিশৃঙ্খলা সংসদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে।
পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ফজলুর রহমান আবার বক্তব্য দেন এবং মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে তাঁর অবস্থান তুলে ধরেন। তবে বিরোধী দলের সদস্যরা তাঁর বক্তব্যের কিছু অংশকে আপত্তিকর বলে দাবি করেন এবং তা সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান।
বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয় ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে মন্তব্য করে ফজলুর রহমান সীমা অতিক্রম করেছেন। তিনি এসব বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানান।
শেষ পর্যন্ত স্পিকার জানান, উভয় পক্ষের বক্তব্যে যদি অসংসদীয় কিছু থাকে, তা পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় অংশ এক্সপাঞ্জ করা হবে এবং ভবিষ্যতে সংসদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
@ইয়াসমিন রিমা