ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার এত বছর পরও মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও গণহত্যার শিকার ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমদ আযম খান। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার একটি নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য তালিকা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে পিরোজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমীন দুলালের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।
সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর উত্থাপন করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে গেজেটভুক্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬ হাজার ৪৮০ জন। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সুপারিশে ২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৪৭৬ জনের গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত বাতিল হয়েছে ৪৮১ জনের নাম।
অন্যদিকে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ সংসদে জানান, কৃষকদের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে দেশে ১১ হাজার ৫ জন ডিলার নিয়োজিত রয়েছেন। এর মধ্যে বিসিআইসির ৫ হাজার ৬৬৯ জন এবং বিএডিসির ৫ হাজার ৩৩৬ জন ডিলার রয়েছে। বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ২ হাজার ৩১১ জন ডিলারের তালিকা তৈরি করা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে যাচাই-বাছাই চলছে।
তিনি আরও বলেন, ইটভাটায় মাটি কাটার কারণে দেশের ১৫ হাজার ৪৫০ একর ফসলি জমি আবাদযোগ্যতা হারিয়েছে।
এদিকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম জানিয়েছেন, ২০৪০ সালের মধ্যে ৫৫ দশমিক ৭ মিলিয়ন পর্যটক আকর্ষণ এবং ২ কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।
@ইয়াসমিন রিমা


