ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ চার দিনের একটি সরকারি সফরে মধ্য আমেরিকার দুটি দেশ—পানামা ও কোস্টারিকা—সফরে যাচ্ছেন। ৬ মে শুরু হওয়া এই সফরের মাধ্যমে অঞ্চলটির দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্য নিয়েছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে এই সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সাম্প্রতিক সময়ে গাজা যুদ্ধকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েল সমালোচনার মুখে পড়লেও কিছু দেশ এখনও তাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পাশে রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সফরটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সফরের শুরুতে প্রেসিডেন্ট হারজগ পানামা সফর করবেন। সেখানে তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুলিনো এবং অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর তিনি কোস্টারিকায় যাবেন, যেখানে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট লরা ফার্নান্দেজ ডেলগাডোর অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দেবেন এবং দুই দেশেই ইহুদি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
পানামা সফরটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেশটিতে কোনো ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের প্রথম সফর। পানামা বর্তমানে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হওয়ায় আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এর গুরুত্ব রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সফরের মাধ্যমে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মঞ্চে সমর্থন ধরে রাখতে চায় ইসরায়েল।
গত কয়েক বছরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ইসরায়েলবিরোধী প্রস্তাবগুলোর বিপক্ষে বা ভোটদানে বিরত থেকেছে পানামা ও কোস্টারিকা। তাই এই দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা ইসরায়েলের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়া, লাতিন আমেরিকার কিছু বামপন্থী নেতা—যেমন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো এবং ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা—ইসরায়েলের নীতির তীব্র সমালোচনা করছেন। এই প্রেক্ষাপটে অঞ্চলটিতে ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থানকে মোকাবিলা করাও হারজগের সফরের একটি লক্ষ্য হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে ইসরায়েল। এই সফর সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টারই একটি


