ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পর গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এখনো জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় জোটে থাকার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছে। দলটির নেতারা বলছেন, সাংগঠনিক সক্ষমতা এখনো পর্যাপ্ত না হওয়ায় এককভাবে আন্দোলন চালানো সম্ভব নয়।
এনসিপির নেতাদের মতে, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বিএনপির ওপর চাপ বাড়াতে জোটবদ্ধ আন্দোলনের বিকল্প নেই। একই সঙ্গে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জোটগতভাবে অংশ নিতে চায় দলটি। তাদের ধারণা, স্থানীয় নির্বাচন তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন বিস্তারের বড় সুযোগ তৈরি করবে।
তবে জামায়াতের সঙ্গে জোটকে কেন্দ্র করে এনসিপির ভেতরে ও বাইরে সমালোচনা রয়েছে। জোট গঠনের পর অন্তত ১৭ জন কেন্দ্রীয় নেতা পদত্যাগ করেন এবং কয়েকজন নিষ্ক্রিয় হয়ে যান। সমালোচকদের প্রশ্ন, জামায়াতের সঙ্গে থেকে এনসিপি আদৌ স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পরিচয় গড়ে তুলতে পারবে কি না।
এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্য পূরণে এখন জোটবদ্ধ আন্দোলনই দলের অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে দল ছাড়াদের ফেরানোর চেষ্টাও চলছে বলে জানান তিনি।
যদিও এখন পর্যন্ত পদত্যাগী নেতাদের কেউ দলে ফেরার ইঙ্গিত দেননি।
@ইয়াসমিন রিমা