ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী–কে একের পর এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো ও জামিন স্থগিতের ঘটনায় নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে মোট ১২টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, যার মধ্যে ৭টির এজাহারে তাঁর নামই নেই।
গত বছরের ৯ মে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর প্রথমে পাঁচ মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে ওই মামলাগুলোতে হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে তা স্থগিত হয়। এরপর আরও পাঁচ মামলায় এবং পরে আরও দুই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সর্বশেষ দুই মামলায়ও তিনি জামিন পেলেও সেই জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করেছে।
আইভীর আইনজীবীদের অভিযোগ, তাঁকে মুক্তি পেতে না দেওয়ার জন্য ধারাবাহিকভাবে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে। এ নিয়ে হাইকোর্টে রিট করলে আদালত গত ২৬ এপ্রিল সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া তাঁকে গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করার নির্দেশ দেন।
মামলাগুলোর বেশির ভাগই ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনকেন্দ্রিক হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলা। তবে কয়েকটি মামলার বাদী দাবি করেছেন, তাঁরা আসামিদের নাম জানতেন না; স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও পুলিশ মামলায় নাম যুক্ত করেছে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী বলেছেন, তদন্তে সম্পৃক্ততা না পেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বাদ দেওয়া হবে। অন্যদিকে আইভীর পরিবারের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তাঁকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
২০০৩ সাল থেকে দীর্ঘ সময় নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নেতৃত্ব দেওয়া আইভী টানা তিনবার সিটি মেয়র নির্বাচিত হন।
@ইয়াসমিন রিমা