ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, টিকা ব্যবস্থাপনায় কোনো ভুল বা অব্যবস্থাপনা হয়ে থাকলে তা নিয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত পরে কেন্দ্রীয়ভাবে নেওয়া হবে। তবে এই মুহূর্তে সরকারের প্রধান লক্ষ্য শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
আজ বুধবার সরকারি টিকার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দেশ বর্তমানে একটি সংকটকাল অতিক্রম করছে। এই সংকট শেষ হলে টিকা ব্যবস্থাপনায় কোনো গাফিলতি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।
দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে ইতোমধ্যে ৪০০–এর বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত ও উপসর্গযুক্ত শিশুর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে। সময়মতো টিকা কেনা না হওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ীদের বিচারের দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন কর্মসূচি পালন করছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “টিকা নিয়ে কে কী ভুল করেছে, সেটা খোঁজার আগে আমাদের মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে।” তিনি জানান, বর্তমানে হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় আইসোলেশন ইউনিট, আইসিইউ ও ভেন্টিলেশন সুবিধা চালু রয়েছে এবং চিকিৎসকেরা সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।
তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০টি ভেন্টিলেটর সহায়তা পাওয়া গেছে, যা দ্রুত বিভিন্ন হাসপাতালে বিতরণ করা হবে। এছাড়া চীনের কোম্পানি সিনোভ্যাকের কাছ থেকে ৭৬ হাজার ৬১৬ ভায়াল, অর্থাৎ প্রায় ৩ লাখ ৮৩ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন এসেছে।
মন্ত্রী বলেন, পোলিও ও অ্যান্টি-র্যাবিস টিকাদানও চালু রয়েছে এবং কোনো রোগীকেই টিকার বাইরে রাখা হবে না। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের কিছু ঘাটতি থাকলেও জুনের মধ্যে পর্যাপ্ত সরবরাহ পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি টিকার বাইরে থাকা শিশুদের খুঁজে বের করে টিকার আওতায় আনার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
@ইয়াসমিন রিমা