ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে দেওয়া ছয় মাসের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে চারটি প্রস্তাব তুলে ধরেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে হাসনাত বলেন, বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই বিরোধী দলের কাছে রয়েছে। এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি মিলিয়ে ১৫ দফা সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে সরকার সেগুলো আমলে নেয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
হাসনাতের প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে ভর্তুকি নীতি পুনর্বিন্যাস, জ্বালানি বা ফুয়েল প্ল্যান প্রণয়ন, কন্টিনজেন্সি প্ল্যান ও ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান তৈরি এবং মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫ বাস্তবায়ন। তিনি দাবি করেন, বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদকদের বড় শিল্পগ্রাহকের কাছে সরাসরি বিদ্যুৎ বিক্রির সুযোগ দিলে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় ছাড়াই সংকট মোকাবিলা সম্ভব।
সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মিলিয়ে ৬২ জনের টিম থাকা সত্ত্বেও বিরোধী দলের প্রস্তাব তাদের কাছে পৌঁছায়নি বা তারা তা পর্যালোচনা করেননি এমন অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর টিমের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাসনাত।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রশাসনে ব্যাপক দলীয় পদায়নের কারণে প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা ও ধারাবাহিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে ফুয়েল, কন্টিনজেন্সি ও ডিজাস্টার রিকভারি পরিকল্পনার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। মহেশখালী এফএসআরইউতে আগুনের ঘটনার স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়ায়ও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বিশেষ সংসদীয় অধিবেশন আহ্বানের অনুরোধ জানান হাসনাত। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সমাধান পরিকল্পনা বিরোধী দলের হাতে থাকলেও বাস্তবায়নের ক্ষমতা সরকারের হাতে। ছয় মাস পর জনগণ জানতে চাইবে সমাধানের অভাবে নয়, নাকি সরকারের সক্ষমতার অভাবেই দেশ অন্ধকারে ছিল।
@ইয়াসমিন রিমা


