মতামত বিশ্লেষণ বিস্তারিত: বিএনপি এবং তাঁদের সমমনা দলগুলো আলোচনাপূর্বক কি সিদ্ধান্ত আসবে? তাঁদের কি উচিত হবে প্রফেসর ইউনূস সরকারের আচমকা পূর্বঘোষিত তারিখ থেকে দুইমাস পিছিয়ে নতুন তারিখ নির্ধারণের কৌশলী ভাষণটির আদেশনামা মেনে নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখা ?
নাকি নিজেদের ঘোষিত তারিখ’কে সমান প্রায়োরিটি দিয়ে নতুন কর্মসূচির ডাক?
ভিন্নপথে হাঁটা খুব জরুরী হয়ে গেল কি?
অস্তিত্বের চাহিদাটানে এবং শুধু নিজেদের স্বার্থে নয়, দেশের স্বার্থে ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার তদ্রুপ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নানামুখী আন্দোলন
চলমান রাখা। রাষ্ট্রীয় আমলাতন্ত্রের দক্ষতায় রচিত চলমান সংস্কারকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখা নাকি প্রধান উপদেষ্টা কৃতক ঘোষিত নির্বাচনের তারিখ’কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করে রেষারেষিমূলক প্রলাপ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় বিব্রতকর প্রোপাকাণ্ডার সুযোগ করে দিয়ে- গণমাধ্যমের মাধ্যমে জোরালো অর্জন, ক্ষমতা ভাগাভাগির রক্তঝড়া শক্তি প্রদর্শন অব্যাহত রেখে কথিত বুদ্ধিজীবীদের গণমাধ্যমের চকচকের ফ্রেমে যৌক্তিক কাঁদা ছোড়াছুড়ি’র সফল প্লাটফর্ম তৈরিতে কিছুটা ঘি ঢেলে দেয়া এই জটিল জনরোষ ও প্রশ্নের মুখে উচিত হবে কি বিএনপি’র নিস্তব্ধতা কিংবা রুখে দাঁড়ানোর প্রশ্নে অবিচল থাকা শ্রেয় বলে মনে করছে যখন একটি মহল!
দ্বি-মতপোষিত ক্ষুদ্র জনসমর্থিত গোষ্ঠী বা সর্বদা বিদ্যমান। কালের সাক্ষী ইতিহাস ও প্রাগৈতিহাসিকতায় বিস্তৃত উপমহাদেশের নানাবিধ শাসনামলের রহস্যের যুক্তি ও অপযুক্তিতে ভরা মস্তিষ্কের একপাক্ষিক লোলুপ মতামতে দ্বিচারী। সোশ্যাল মিডয়ায় এক ঝাঁক মনীষীরা ব্যাপক জনপ্রিয় কথা ও উদাম ভাষার ব্যবহারে আক্রোশী স্বভাবের কিছু মিলিয়ন ফলোয়ারের বুদ্ধিদীপ্ত মনীষীরা বাঙালিকে সঠিক বোঝাতে যতটুকু সচেষ্ট ঠিক ততটুকুই অদক্ষ গণঐক্য ও রাজনৈতিক মতবিরোধ মীমাংসা পলিসি তৈরিতে ও সমীকরণের যোগফল এঁকে দিতে? যেন বাংলাদেশ এগিয়ে যায় সামগ্রিকভাবে। ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ কি অসল দেশ প্রেমিকের লক্ষণ? স্বার্থ নিহিত কন্ঠের বেঢক আওড়ানো কি অভ্যাসে পরিণত হয়েছে যা জাতির জন্য ব্যাপক উদ্বেগের।
সামাজিক শিষ্টাচার স্থায়ীকরণে ও ন্যায় সঙ্গত প্রতিবাদে সচেষ্ট থাকাটা নিজেদের জরুরী মনে করে ও নিয়মিত কর্মতৎপরতার প্রতিফলন কে বুদ্ধিদীপ্ত কর্মতৎপরতায় বিকিরণ ঘটিয়ে সত্য ও সুন্দরের পথে জনস্রোত তৈরিতে সক্ষম হয়ে ওঠে কর্মসংস্থান ভিত্তিক সোশ্যাল বিজনেসের সম্ভাবণার দোয়ার খুলে দেয়ার প্রচেষ্টায় আমরা যদি ঐক্যমতের ভিত্তিতে সরকার ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করি, সঠিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও যুক্তিনির্ভর সমাজ গঠনের সচেষ্ট জনশক্তিকে সচেতন করে তুলতে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি কাজে লাগাই, সেটি মন্দ কিছু নির্দেশ করে না বৈকি। রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষেরা নতুনভাবে সমাজ ও মানুষকে একে অপরকে মূল্য দেয়া শেখালে, সম্মান লালন করা ও দৈনন্দিন চর্চায় তা অভ্যাসে পরিণত করা, মানুষে-মানুষে পশুত্বের হিংস্রতা না ছড়িয়ে সমাজকে সঠিক দিক নির্দেশনা দেয়া, প্রতিটি নাগরিকেরই দায়িত্ব বলে মনে করি এবং বাস্তবভিত্তিক রুপোরেখা প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়নের দিকে ধাবিত হওয়া উচিত বলে মনে করে বাংলার আপামর জনমানুষ।
মানুষ্য তৈরী নীতি, মতাদর্শ, রাষ্ট্রবিধান সংবিধন এবং রাজনৈতিক মতাদর্শকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে গিয়ে সৃষ্টির সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষকে কেন বলি হতে হয়? ক্ষমতাপিপাসুদের হাতে। নিজেরা শক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে গিয়ে আল্লাহর সৃষ্টি মানুষ নিধনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে কি আশ্চর্য রকম পাষন্ডতায়!
সরকার যদি ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে মানুষকে তার অপরাধের কারণ ও সেটি বিশ্লেষণ পূর্বক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম হাতে নিয়ে তাদের শুধরে দেবার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও পুনর্বাসন কার্যক্রম হাতে নেয়! তাহলে আর প্রশ্নবিদ্ধ থাকে না আধুনিক রাজনীতির মেরুকরণ!
শক্তহাতে আইনের যথার্থ প্রয়োগ জনসমর্থন পায়। যখন শাস্তির বদলে ভালোবাসা, ভুল শুধরানোর সঠিক রাস্তা ও সরকারি বিশেষ উদ্যোগে তাদের কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে জনশক্তিতে রূপান্তর করা।।
একবারও তেমন চোখে পড়ার মত কেউ তা না ভেবে, অপরাধীদের জেল, জুলুম, যাবজ্জীবন ফাঁসি, অনর্থক কোর্টের বারান্দায় টাকা খরচের হিড়িক বাড়ানো যায় কিভাবে? সেটাই অব্যাহত রাখা কথিত ক্ষমতা ও প্রভাব প্রতিপত্তির দাপটে আইনকে টুপির ভেতর রাখা যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে আমাদের অস্বচ্ছতা চর্চায়।
সমাধানের সঠিক উপায় আমরা জেনেও উদাসীন এবং সরকারের নিস্তব্ধতা এখনো দৃশ্যমান। রাজনীতির অপর নাম গণমানুষের আবেগী প্রেমঘর। যেখানে নড়বড়ে খুঁটির পেরেকটাও অন্যায়ের প্রতিবাদ করে শক্তির জানান দিতেও ভুল করে না।
সামাজিক অসচ্ছলতা ও অধিকার বঞ্চিত মানুষদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সরকারি দায়িত্ব কর্তব্যের ভেতর প্রতীয়মান হলেও কি এক অদৃশ্য কারণে সামাজিক অবক্ষয়ের অপরুচিতে ছয়লাব যখন সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, কবিতা, গল্প, নাটক! নাটকীয় অধঃপতনে পরিলক্ষিত হয় সবকিছু স্বচ্ছ কাঁচের মতো তখন সরকার দেখেও না দেখার ভান করে মানুষকে সুশিক্ষা ও পুনর্বাসন ব্যবস্থা’র স্থায়ীভাবে উদ্যোগ গ্রহণ ও তা সচল করার জন্য অভিপ্রায় বড়ই নিম্নগামী।
এবং অজানা কারণে নিরন্তর তা চলছেই।
বিশ্লেষণ, অপবিশ্লেষণের শাব্দিক প্রক্রিয়া ও প্রতিহিংসার রাজনীতিকে লেলিয়ে দিয়ে বুদ্ধিদীপ্ত নবপ্রজন্মকে এনালগ ধারণার পুনরাবৃত্তি দেখানোর শামিল?
যেসব রাজনৈতিক দলের এমন পদক্ষেপ প্রশ্নবিদ্ধ করবে? তাদের সমুচিত জবাব দেয়া সময়ের নিরীক্ষা মাত্র। সময় তাদের স্থান নির্ধারণ করে নিরন্তর।
আগামীর ভবিষ্যৎকে পেছনে টেনে নিয়ে যাওয়ার অপকৌশল, বর্ণিত অসুস্থ রাজনীতির প্রতিযোগিতা যারা শুরু করেছেন? তাদের নৈতক ও সামাজিক মূল্যবোধের কতটা অধঃপতন ঘটেছে ক্ষমতালোভী আক্রোশী স্বভাবে, সেটির পরিচয়টা কালের আয়নায় স্পষ্ট দেখা যাবে। বিদ্রুপে উত্তর দেবে প্রযুক্তিপ্রেমী সাহসী প্রজন্মের ধারক বাহক বাংলার আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিঁটিয়ে থাকা দেশপ্রেমীরা। তাঁদের কতশত শহীদ ভাইদের ছোট ছোট প্রাণের আকুতি, গুলির আঘাতের ছিটকে পড়া রক্তের দাগ শুকোয়নি এখনও। তাঁদের জাগ্রত হতে সময় লাগে না মাসিক কিংবা তৈমাসিক হারে। প্রতিটি প্রাণ যেন নিশ্চিদ্র প্রহরী; বাংলাদেশের লালসবুজের উড়ন্ত পতাকার উড়ে যাওয়া প্রতিটি শব্দের প্রাঞ্জলতায়, প্রস্ফুটিত আত্মায় বর্ণিত শেষ স্পন্দন প্রতিটি শব্দসংকেত।
“পলিটিক্যাল হ্যান্ডেলিং পলিসি এন্ড ক্রাইসিস লিগ্যাল কমিউনিটি ম্যাটার এ্যানালাইসিস উইথ সলিউশন” কে অধিকতর মূল্যায়ন করাটা জরুরী অনুধাবন করে নতুন সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ লজিক্যালিই
ভীষণ দরকারি হয়ে পড়েছে-
“দেশ-দশ, অবহেলিত গনমানুষের জন্য”
আর এই বিষয়গুলো নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের শীর্ষস্থানীয়
নীতি নির্ধারকেরা কতটুকু গভীরে ভাবছেন?
পরিষ্কার উত্থাপনই স্বদেশ প্রেমের প্রতীক হয়ে যায়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দলীয় আদর্শ ও নীতির একচুল বিচ্যুতি না ঘটানো তাঁর একজন প্রকৃত সৈনিকের কাজ! রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কর্মফল যেন তা প্রশ্নবিদ্ধ না করে আমাদের দৈনন্দিন কর্মকান্ডে।? অনুরোধ রেখে যাচ্ছি অনাদিকালের ট্রেন্ড ফিচারের সর্বাধিক পপুলার অ্যাপ এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে।
গণমানুষের কল্যাণে, সাবলীল, চর্চিত দলগুলো’র বাস্তবসম্মত ও প্রতুৎপন্নমতি, চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে আগামী’র সমৃদ্ধ, সুন্দর, স্বচ্ছল, এক সোনার বাংলাদেশ।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান,
এবং নতুন প্রজন্মের মহানায়ক, তরুণ্যের অস্তিত্ব সংকটে বুদ্ধিদীপ্ত সাংগঠনিক তৎপরতায় বিচক্ষণতার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে নিজেকে সু-প্রতিষ্ঠিত করেছেন মার্জিত সুনামে, সু-সমাজ গঠনে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়নের লক্ষ্য তাঁর আত্মিক মেরুকরণের অতল দ্রাঘিমায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের কম্পমান আহাজারি প্রতিশব্দ নিরবধি শান্ত নদীর মতো তারেক রমানের বুকের ছন্দিত শব্দচয়নে স্পষ্ট উদীয়মনে। ইতিহাসের সেরা ও সর্ববৃহত্তম জনসম্পৃক্ত সম্বলিত, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মতামত ও ভিন্ন ঐতিহ্য লালিত গোষ্ঠী, উপগোষ্ঠী, নৃ-গোষ্ঠী, আপমর জনসাধারণের, সচেতন জনতার, বাংলার কৃষক শ্রমিক মেহনতী মানুষের যোগফলে বিশাল একটি গণমানুষের বুকের স্পন্দন; বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপি। রাতদিন সুস্থ ধারার রাজনীতি প্রতিষ্ঠায়, আপ্রাণ, উন্মুখ যিনি প্রজন্মের প্রতিনিধি কর্ণধার: তাঁর একটাই নাম- “জনাব তারেক রহমান”।
কিছু আওয়ামীপুষ্ট হায়েনাদের অন্ধকারাচ্ছন্ন, কুৎসিত গণতন্ত্রের অপব্যাখ্যা ও আইনের আপত্তিকর ঘৃণ্য অপব্যবহারে এই মহান রাষ্ট্রপতির সুযোগ্য সন্তানটিকে “দেশে না ফিরে আসা কখনও রাজনীতি না করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে মুসলেকার মাধ্যমে শুকৌশলে দেশের বাইরে নিক্ষেপ করা হয়। যেন বাংলার এই মাঠঘাট, সবুজ ফসলের খেত! কোন দিন শেষ স্পর্শ করতে না পারে। জনাব তারেক রহমানকে দেশান্তরি করে রাখার কুচক্রী অপচেষ্টার সুফল এখনো পাচ্ছে এখনও ফ্যাসিস্ট সরকার। যদিও তারা দেশ থেকে বিতাড়িত, অপমানিত, লজ্জিত বিদায়ে নিজেদের মুখ লুকানোর জায়গা নেই,
কিন্তু এখনো তাদের কত শক্তি অবৈধ অর্থের দাম্ভিক প্রদর্শণ চলছে: আমাদের মহানায়ক, দিগজয়ী বিচক্ষণ বাবার রেখে যাওয়া গণমানুষের জন্য উপহার, গণতন্ত্রের পাহারাদার বিপুল জনপ্রিয় জনগোষ্ঠীর স্বপ্নের প্রতিধ্বনি হয়ে বেজে উঠা এক নাম: জনাব তারেক রহমান। আজও দেশে ফিরতে পারেনি?
রহস্যজনক ও এত লম্বা সময়ের পরিধির ব্যাপকতা একটু নির্জনেই ইঙ্গিত করে? নাকি তাঁকে ফিরতেই দেয়া হচ্ছে না নিজস্ব দেশ ভূমিতে?
একটি মহলের রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত কর্মকান্ডে, সমর্পিত মাথাগুলির ক্ষমতালোভে আক্রান্ত স্বীয়স্বার্থ প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত এক ঝাঁক বিবেক ও মনুষত্ব্য সমর্পিত মানুষ দল, পদলেহন যাদের উৎপত্তিস্থল,
আমরা যারা স্বৈরাচারীর দোসর বলছি।
তাদের এই প্রতিহিংসার বিষাক্ত নিঃশ্বাসের রেশ আর কতদিন চলবে? কারো জানা নেই নাকি এই প্রশ্নের উত্তর! কেন?
বাংলাদেশ ও বাঙালীকে ক্রীতদাস করে রাখার উদ্ভট তামাশায় মত্ত হয়ে ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী আকাঙ্ক্ষার অবসান করে মানুষের স্বভাব-সুলভ লোভনীয় উত্তাপ পাকা মস্তিষ্কে সাইকোলজিক্যালি প্রভাব তদ্রুপ বিরূপ প্রভাবে বিভ্রান্ত বৈকি।
এ প্রশ্ন কে? কাকে করবে? কে দেবে উত্তর?
প্রসঙ্গে ফিরে আসি, জনাব রহমাম, তাঁর বুকের ভেতর ক্ষত চিহ্নটুকু বিএনপিপ্রেমী জনগোষ্ঠী যদি উপলব্ধি করতে পারে, অনুভব করতে পারে দেশের মাটিতে পা রাখার জন্য তাঁর বিসর্জিত আর্তনাদ, বুকের ভেতর অপেক্ষার বালুচর কত শব্দহীন? নিস্তব্ধ অনুভূতি’র লেনা-দেনা’র গল্পকল্পের কাহিনী কত করুন কত দীর্ঘ সময়কাল? সে কি তীব্র যন্ত্রণার!
আমরা উপলব্ধি করতে পারি কিন্তু পারি কিন্তু
আমরা বুঝেও, বুঝিনা, কেমন জানি পাস কাটিয়ে না বোঝার ভান। ? নাকি বুঝি জন্যই আমরা এত সংগ্রাম, এত উত্তাপ, এত যুদ্ধ, এত বিদ্রোহ চলছে এবং চলমান।
নিঃশব্দে, রহস্যজনক জটিলতা শেষ না হওয়ার গল্পের খতিয়ান দীর্ঘতর কেন হয়? নিজ দেশে ফেরার এত ব্যাসার্ধপূর্ন সময়কাল ফ্যাস্সিটদের কার্যকর করা নির্যাতনের হাওয়া মৃদু এখনো কেন বিদ্যমান? তাঁর ওপর চাপিয়ে দেয়া অকথ্য মিথ্যার পাহাড় কিভাবে ডিঙ্গিয়ে সঠিক এবং সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিক্ষণ বিচক্ষণতার সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও রাজনৈতিক পারদর্শীতা’র পরিচয় চলমান এবং উল্লেখিত বিষয়ে তিনি সদা তৎপর। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ধুলিবালি মাখা আয়নাটি পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন দেখতে রাত দিনের অক্লান্ত সাধনায় অবিচল; মিস্টার তারেক রহমান !!
আর এদিকে জিয়ার সৈনিকদের কিছুই করার নেই ফ্যালফ্যাল করে দেখা ছাড়া, অপেক্ষা ছাড়া। এই পরিশুদ্ধ মানুষটির মানুষটির বুক জুড়ে বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি’র আবছায়া। অম্লান সুঘ্রাণ ভেসে আসা বাংলার প্রতিটি বৃক্ষ, ধূলিকণায় আজও আমরা খুঁজে পাই তাঁর অনুভূত ভালোবাসা, সংগ্রাম, প্রস্তুতি, দেশের জন্য সর্বদা কন্ঠের তীব্র অব্যাহত রাখা।
ঠিকই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও ঐক্যের ভিত্তি তাঁর রন্ধ্রে রন্ধ্রে ব্যাপকতর ও বিন্যাসী, তির্যক সূর্যের মতো- শিরায় শিরায় স্বদেশ প্রীতি, সোনার বাংলাকে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে রূপান্তর প্রত্যাশী কতটুকু তা তাঁর দুই চোখের অশ্রু জলে লিপিবদ্ধ দেখতে পাওয়া যাবে শীঘ্রই।
তাঁর প্রতিটি সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সম্মান
জানানো উচিত দেশের প্রতিটি জিয়ার সৈনিকদের। আমাদের মনে রাখা এবং তা অন্যকেও বার বার মনে করে দেওয়া উচিত যে, “সবার আগে বাংলাদেশ” এই স্লোগানের সাথে মিশে আছে, নিষ্পেষিত, বর্বোরচিত, গণতন্ত্র, এক লুটেরাদের সম্মিলিত অন্ধকার কাহিনী, অধিকার হরণের মাত্রাতিরিক্ত অসভ্যতা প্রদর্শন।
লক্ষ-হাজার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিটি সদস্যের নির্যাতিত মগজে বন্দী থাকা, অবরুদ্ধ কন্ঠের বন্দিশালার ডিঙ্গিয়ে আসা- প্রতিজ্ঞার সে আলোক প্রক্ষেপণ তুমুল তাম্রলিপির মত অহংকার এনে দেয়- বুকে, পিঠে, প্রতিটি জাতীয়তাবাদী শক্তি’র দোড়গোড়ায়, জাতিবাদী আদর্শে বেড়ে ওঠা মানুষের গর্জন, হুংকার, ইস্পাতসম গর্বিত বুকে, কি বিভোর স্বপ্নে মেতে ওঠে? কি আশ্চর্য মায়াবী? অনিন্দ্য সুন্দর একমুঠো সবুজের সমীকরণ বাংলার গ্রাম আনাচে-কানাচ।
আমাদের স্বদেশ ভূমি, সোনার বাংলাদেশ। আমাদের নরম মাটি’র উর্বর মাতৃভূমি; প্রাণের ঐতিহ্য লালন করা এ দেশ আদিকাল ধরে মায়ের মতই আপন। নিজের গ্রাম, শহর, ভিটেমাটি, ভালোবাসার প্রিয় মুখগুলি কি সুন্দর হাসিতে সরল মনের সতেজ অনুভূতিতে স্বাগত জানায় প্রতিজোড়া দরদী চোখ অবাক ভঙ্গিমায় বলে ওঠে- আহ! কতদিন পর এলে? মাঝে মাঝে আসতে হয় !!
আবেগের আশ্রম সে প্রতিজ্ঞায় অনিন্দ্য দেশপ্রেম, বুকের খাঁচায় অবিরাম বিনিদ্র, জাগরিত যন্ত্রণার ফুলিঙ্গের যোগফল – ২১, ৪২, ৫২, ৭১, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে রাইফেলের আঘাতে ছিটকে পড়া যত রক্তের দাগে লুকিয়ে থাকা বাংলাদেশ যেন ডাকে?
এই প্রতিজ্ঞা, সমোচ্চারিত ভালোবাসার নাম: “সবার আগে বাংলাদেশ”
সামনের দিনগুলোতে বিএনপির সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচি কতটুকু যুক্তিসংগত ও জনসমাদৃত হবে? সেটাই এখন পরখ করে দেখার বিষয়-
[আমরা যদি না জাগি মা; কেমনে সকাল হবে?]
ভেতরের খবরের সম্পাদকীয় পাতায় “ঈদের এই বিশেষ মতামত পড়চা পড়তে পারেন: সব সময়, প্রতিদিনের অনুক্ষণে, অবসরে, আপনি যেখানেই থাকেন, যখন তখন:
Goggle: www.vitorerkhobor.com
– Rashidul Hasan
07/06/2025
Saturday.
Glassy Morning Calling Us.
EID MUBARAK
My All mystic friend.
Thanks lot with cordially Respect.


