ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: (রাজশাহী):মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আর কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না এবং সরকারি কোনো পদেও অধিষ্ঠিত হতে পারবেন না।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশের অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইবুনালস) (থার্ড অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স, ২০২৫’ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রেস সচিব বলেন, মানবতাবিরোধী মামলায় যারা অভিযুক্ত হবেন তারা কোনো নির্বাচন করতে পারবেন না। এটা আজকের বৈঠকে গৃহীত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।
অধ্যাদেশটির মাধ্যমে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইবুনালস অ্যাক্টে নতুন সেকশন ২০ (সি) যুক্ত করা হয়েছে। সংযোজিত ধারায় বলা হয়েছে—
কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনের সেকশন ৯(১) এর অধীনে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র (ফরমাল চার্জ) দাখিল হলে তিনি জাতীয় সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হওয়ার বা বহাল থাকার অযোগ্য হবেন।
একইভাবে তিনি স্থানীয় সরকার পরিষদ বা কমিশনের সদস্য, কমিশনার, চেয়ারম্যান, মেয়র বা প্রশাসক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার কিংবা বহাল থাকার অযোগ্য হবেন।
পাশাপাশি তিনি প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োগ পাওয়া বা অন্য কোনো পাবলিক অফিসে অধিষ্ঠিত হওয়ারও অযোগ্য হবেন।
এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের সামাজিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রমে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার আইনি কাঠামো তৈরি হলো।