ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: বেক্সিমকো গ্রুপের বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য জাপানের রিভাইভাল প্রজেক্ট লিমিটেড আপাতত ২৪৫ কোটি টাকা (দুই কোটি মার্কিন ডলার) বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে। তাদের সঙ্গে থাকছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইকোমিলি। এ যৌথ বিনিয়োগে সরকারের সায় মিলেছে, এখন অপেক্ষা ত্রিপক্ষীয় চুক্তির যেখানে পক্ষগুলো হবে রিভাইভাল, বেক্সিমকো ও জনতা ব্যাংক।
বেক্সিমকোর পোশাক পণ্যের বড় ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে জারা, মার্কস অ্যান্ড স্পেনসার, আমেরিকান ইগল, টার্গেট, পুল অ্যান্ড বিয়ারসহ আরও অনেক আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড। বিদেশি চাহিদা থাকায় ১৫টি কারখানা নিয়ে গঠিত বেক্সিমকো টেক্সটাইলস ডিভিশন নতুন করে চালুর চেষ্টা চলছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থীদের নেটওয়ার্ক ‘বুয়েট ইনভেস্টমেন্ট নেটওয়ার্ক’ এর সহায়তায় পরবর্তী সময়ে আরও ১০ কোটি ডলার ঋণের ব্যবস্থা হতে পারে।
বেক্সিমকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওসমান কায়সার চৌধুরী জানান, বেক্সিমকো জনতা ব্যাংকের কাছে খেলাপি। তাই রিভাইভাল ঋণ পুনঃতফসিল নিয়ে পরিষ্কার ধারণা চাচ্ছে। এজন্য বৈঠক হয়েছে, এখন ত্রিপক্ষীয় চুক্তির অপেক্ষা।
শ্রমসচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, দেশের অর্থনীতির ধারা অব্যাহত রাখতে এবং শ্রমিকদের কর্মসংস্থান রক্ষায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বেক্সিমকোর যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার পথে, দ্রুত চালু হলে তা কাজে লাগবে।
রিভাইভাল জানিয়েছে, ত্রিপক্ষীয় ইজারা চুক্তির মাধ্যমে কারখানা চালু হবে। আয় থেকে সার্ভিস চার্জ কেটে বাকি টাকা যাবে ঋণ পরিশোধে। বিদেশি ব্যাংক থেকে এলসি খোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।
রিভাইভালের প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ ফয়সাল হুদা বলেন, “আমরা চাই দ্রুত চুক্তি হোক। কারখানা চালু হলে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে এবং আগের বিশ্বখ্যাত ক্রেতাদের ধরে রাখা যাবে।”
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উদ্যোগটি ইতিবাচক। এতে ব্যাংকের টাকা ফেরত আসার পাশাপাশি দেশের কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিও লাভবান হবে।
@ইয়াসমিন রিমা, ভেতরের খবর


