ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: আজ পালিত হচ্ছে ‘প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিন’—একটি দিন, যার উদ্দেশ্য অতীতের সম্পর্কজনিত কষ্ট, রাগ বা আঘাত ভুলে মানসিক প্রশান্তি ফিরে পাওয়া।
২০১৮ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি পালন শুরু হয়। এর মূল ভাবনা, ক্ষমার মাধ্যমে আত্মসমালোচনা ও মানসিক সুস্থতা অর্জন। কারও প্রতি ক্ষোভ বা অভিমান দীর্ঘদিন ধরে রাখলে তা মানসিক ভার তৈরি করে; তাই অতীতকে ক্ষমা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তাই দেয় দিনটি।
মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, প্রাক্তনকে ক্ষমা করা সহজ নয়, তবে ক্ষমার মধ্য দিয়েই শুরু হয় নতুন মানসিক যাত্রা। এই দিবসে অনেকে তাদের প্রাক্তনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন, কেউ কেউ কেবল নিজের মনে অতীতকে ছেড়ে দেন।
যাদের পক্ষে সরাসরি যোগাযোগ সম্ভব নয়, তারা নিজের মধ্যে সময় নিয়ে মানসিক প্রস্তুতি নিতে পারেন। প্রয়োজনে মনোবিদ বা ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শও দেওয়া হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে আজকের দিনে নিজেদের অনুভূতি, অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ শেয়ার করছেন—‘প্রাক্তনকে ক্ষমা করার সাহসই নতুন শুরুর প্রথম ধাপ’ এই বার্তা ছড়িয়ে দিতে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কাউকে ক্ষমা করা মানে অতীতকে মুছে ফেলা নয়, বরং নিজের ভেতরের ভারমুক্তি ঘটানো। তাই এই দিনটি হয়ে উঠছে আত্মসমালোচনার, সহনশীলতা আর মানসিক প্রশান্তির এক প্রতীকী দিন।


