ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন মোট ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী। ডিপিইর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় গত ৯ জানুয়ারি একযোগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ছয়টি শর্তে প্রাথমিকভাবে এই ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রকাশিত ফলাফল সাময়িক। এ ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রার্থীরা কেবল মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন, তবে এটি চূড়ান্ত নিয়োগের কোনো নিশ্চয়তা নয়। ফলাফলে কোনো ভুল-ভ্রান্তি বা তথ্যগত ত্রুটি পাওয়া গেলে তা সংশোধন বা প্রয়োজনে বাতিল করার ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে। পাশাপাশি কোনো প্রার্থী ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য প্রদান বা তথ্য গোপন করলে তার ফলাফল বাতিল করা হতে পারে।
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ অনুসরণ করে চূড়ান্তভাবে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে জানানো হবে। নির্বাচিত প্রার্থীদের রোল নম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ডিপিইর ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
এবার ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করেছিলেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি প্রার্থী। এর মধ্যে প্রায় ৭৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। কম সময়ে ফলাফল প্রকাশে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও, পরীক্ষা শুরুর পর প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ডিজিটাল নকলের অভিযোগ ঘিরে শুরু থেকেই বিতর্ক তৈরি হয়। এসব অভিযোগের তদন্ত শেষে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা প্রশ্নফাঁসের সত্যতা পায়নি বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
@ইয়াসমিন রিমা