ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নোয়াবের সভাপতি এ কে আজাদ অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেছেন, সরকার জানে তাদের মেয়াদ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, তাহলে তাদের ভয় কোথায় এবং কেন বিচার বিভাগকে পঙ্গু করে রাখা হয়েছে?
বুধবার সকালে রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার ইন–এ অনুষ্ঠিত ‘মিডিয়া সেলফ-রেগুলেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক নীতি সংলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন। গণমাধ্যম–সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে এই সংলাপের আয়োজন করে মিডিয়া রিসোর্সেস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই)।
এ কে আজাদ বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা নেই বলেই দাবি করা হয়, তবে বাস্তবে তারা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করছে না। তিনি অভিযোগ করেন, নিরীহ মানুষদের গ্রেপ্তার করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলায় জড়ানো হচ্ছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ বিপুল অঙ্কের অর্থ দাবি করছে; যারা দিতে পারছে তারা ছাড়া পাচ্ছে, আর যারা পারছে না, তাদের জেলে পাঠানো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, অতীতেও সাংবাদিকদের ওপর রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন হয়েছে এবং এখনো সেই চিত্র বদলায়নি। তাঁর মতে, সরকার বদলালেও ক্ষমতাসীনদের চরিত্রে তেমন পরিবর্তন আসে না। ভবিষ্যতে যারা ক্ষমতায় আসবে, তারা ভালো হবে এমন নিশ্চয়তাও নেই।
রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংস্কার এবং সমালোচনার পরিবেশ না থাকলে ‘ইথিক্যাল জার্নালিজম’ সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন নোয়াব সভাপতি।
সংলাপে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, সাবেক গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ এবং প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফসহ গণমাধ্যম–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
@ইয়াসমিন রিমা