ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো গন্ডগোল হলে তা সাধারণভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর কাছ থেকে হওয়ার কথা নয়; বরং যাঁরা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না বা নিতে পারছেন না, তাঁদের দ্বারাই এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা বেশি।
বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এক সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল সরকার কি নিশ্চিত যে নির্বাচনে সহিংসতা হতে পারে? জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সরকার এ বিষয়ে নিশ্চিত নয়, তবে অপচেষ্টার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তিনি জানান, এ সংক্রান্ত দৈনন্দিন অগ্রগতির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বিস্তারিত তথ্য দিতে পারবে।
তৌহিদ হোসেন বলেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়া দলগুলো এখন পর্যন্ত সংযম প্রদর্শন করছে এবং নির্বাচনী কার্যক্রম শান্তিপূর্ণভাবেই এগোচ্ছে। তাই কোনো সংঘাত বা সহিংসতা হলে তা অংশগ্রহণকারী পক্ষগুলোর স্বাভাবিক আচরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে না বলেই সরকারের ধারণা।
এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি সরকারের এক বিজ্ঞপ্তির কথাও আলোচনায় আসে। সেখানে বলা হয়েছিল, নির্বাচন-পূর্ব বা নির্বাচনের দিন সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায় সংশ্লিষ্ট সংগঠনের ওপর বর্তাবে। একই সঙ্গে একটি পলাতক দণ্ডিত রাজনৈতিক নেত্রীর বিদেশে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সরকার গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, ওই বক্তব্যে সরকার উৎখাত ও নির্বাচন ভন্ডুলের উদ্দেশ্যে সহিংসতায় উসকানির অভিযোগ রয়েছে।
সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব সাম্প্রতিক উসকানিমূলক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে যেকোনো অস্থিতিশীলতা রোধে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সতর্ক রয়েছে বলেও ইঙ্গিত দেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
@ইয়াসমিন রিমা