ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: শহীদ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত ও বিচার এবং নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনরতদের সঙ্গে শুক্রবার পুলিশের সংঘর্ষে অন্তত ১৬ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। শনিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ডিএমপি কমিশনার জানান, আহতদের মধ্যে একজন অতিরিক্ত ডিআইজি, একজন পরিদর্শক, একজন সার্জেন্ট ও একাধিক কনস্টেবল রয়েছেন। অধিকাংশের হাত, পা ও মাথায় আঘাত লেগেছে। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং একজনের মাথায় সেলাই দিতে হয়েছে।
রাতে ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনাস্থলে সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কোনো আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করেনি। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়।
ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, জনশৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তার স্বার্থে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও আশপাশ এলাকায় সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন গোষ্ঠী পুলিশের বাধা অতিক্রম করে এগোনোর চেষ্টা করে। এ সময় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে পুলিশের নজরে এসেছে। ডিএমপির দাবি, নিয়মতান্ত্রিকভাবেই বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকজন বিক্ষোভকারীও সামান্য আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়।
এ বিষয়ে অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সর্বসাধারণকে অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
@ইয়াসমিন রিমা