ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা রাজতন্ত্র অবমাননার মামলায় খালাস পেয়েছেন। শুক্রবার দেশটির আদালত রায়ে জানায়, তাঁকে দোষী প্রমাণের মতো যথেষ্ট প্রমাণ নেই।
২০১৫ সালে স্বেচ্ছানির্বাসনে থাকা অবস্থায় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারকে ঘিরে এ মামলা হয়। দোষী হলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারত তাঁর। থাকসিন বলেন, “মামলাটি খারিজ হয়ে গেছে।”
থাইল্যান্ডে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় এ ধরনের ২৮০টির বেশি মামলা হলেও থাকসিনের মামলাটি সবচেয়ে আলোচিত ছিল। অধিকারকর্মীরা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করতে এ আইন ব্যবহার করা হয়। তবে রাজতন্ত্রপন্থীদের দাবি, রাজার মর্যাদা রক্ষায় আইনটি জরুরি।
৭৬ বছর বয়সী ধনকুবের থাকসিন এখনো সক্রিয় রাজনীতিতে প্রভাবশালী। যদিও তাঁর কোনো সরকারি পদ নেই, তাঁকে ক্ষমতাসীন পিউ থাই দলের নেপথ্যের শক্তি হিসেবে দেখা হয়। সম্প্রতি তাঁর মেয়ে ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রার বিরুদ্ধেও সাংবিধানিক আদালতে রায় অপেক্ষমাণ রয়েছে।
থাকসিন ১৫ বছর বিদেশে থাকার পর ২০২৩ সালে দেশে ফেরেন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারসহ বিভিন্ন অভিযোগে আট বছরের সাজা পান। তবে রাজা তাঁর সাজা কমিয়ে এক বছর করলেও তিনি জেলে যাননি; হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন ছয় মাস পর মুক্তি পান। আগামী মাসে সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত দেবে, সেই সময়কে আনুষ্ঠানিক কারাভোগ হিসেবে ধরা হবে কি না।
@ইয়াসমিন রিমা, ভেতরের খবর


