ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: আফগান তালেবান সরকার অভিযোগ করেছে, পাকিস্তান কাবুলে একটি মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রে বিমান হামলা চালিয়েছে, যাতে ৪০০-র বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। তবে ইসলামাবাদ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত বড় ধরনের সংঘাতে রূপ নিতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে দুই পক্ষের সামরিক সক্ষমতার তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে তার সামরিক শক্তি বাড়িয়ে আসছে। বিশেষ করে চীনের সহায়তায় তারা আধুনিক অস্ত্র ও প্রযুক্তি অর্জন করেছে এবং পারমাণবিক কর্মসূচিও শক্তিশালী করেছে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির অভাবে আফগান তালেবান সরকারের সামরিক বাহিনী সরঞ্জাম, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রশিক্ষণে পিছিয়ে রয়েছে।
পাকিস্তানের সক্রিয় সামরিক সদস্য সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার।
এর বিপরীতে আফগান তালেবানের যোদ্ধা সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার—যা পাকিস্তানের তুলনায় অনেক কম।
পাকিস্তানের কাছে রয়েছে ৬ হাজারের বেশি সাঁজোয়া যান এবং প্রায় ৪,৬০০ আর্টিলারি।
অন্যদিকে তালেবান বাহিনীর কাছে কিছু পুরনো সোভিয়েত আমলের ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান থাকলেও তাদের প্রকৃত সংখ্যা স্পষ্ট নয়।
পাকিস্তানের কাছে ৪২২টি যুদ্ধবিমান এবং ২৬০টির বেশি হেলিকপ্টার রয়েছে।
অপরদিকে আফগানিস্তানের কার্যত কোনো শক্তিশালী বিমান বাহিনী নেই। কিছু পুরনো বিমান ও হেলিকপ্টার থাকলেও সেগুলোর কার্যকারিতা সীমিত।
পাকিস্তান একটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ এবং নিয়মিত এ খাতে বিনিয়োগ করছে।অন্যদিকে আফগানিস্তানের কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নেই।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, সামরিক শক্তির দিক থেকে পাকিস্তান স্পষ্টভাবেই অনেক এগিয়ে। তবে আঞ্চলিক অস্থিরতা ও সীমান্ত উত্তেজনা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলতে পারে।


