ভেতরের খবর নিউজ ডেস্ক: কিউবার রাজধানী হাবানাতে দীর্ঘ সময়ের ব্ল্যাকআউটের পর ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দেশের বেশিরভাগ অঞ্চল এখনো অন্ধকারে রয়েছে, যা চলমান জ্বালানি সংকটের গভীরতাকে তুলে ধরছে।
সোমবার দেশটির জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিড ভেঙে পড়লে পুরো দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। মঙ্গলবারও অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। বর্তমানে রাজধানীতে সীমিত আকারে বিদ্যুৎ ফিরলেও অন্যান্য অঞ্চলে পরিস্থিতি এখনও সংকটপূর্ণ।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংকট নতুন নয়। ২০১৯ সাল থেকেই বিদ্যুৎ ঘাটতি শুরু হয়, যখন Donald Trump প্রশাসন কিউবার ওপর কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর ফলে দেশটির জ্বালানি আমদানি মারাত্মকভাবে কমে যায়।
সম্প্রতি আবারও যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ওপর তেল অবরোধ জোরদার করেছে। প্রায় তিন মাস ধরে দ্বীপ রাষ্ট্রটিতে কোনো তেল প্রবেশ করছে না। যেহেতু কিউবা বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপকভাবে তেলের ওপর নির্ভরশীল, তাই এই অবরোধের কারণে বিদ্যুৎ সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
এদিকে, পরিস্থিতি মোকাবেলায় কিউবা সরকার কিছু অর্থনৈতিক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী কিউবানদের দেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এটি বাজারমুখী সংস্কারের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হলে তা সমর্থন করতে পারে, কারণ দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি সংকট তাদের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলেছে।


